
পিরোজপুর থেকে:
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় জমির সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে ফাঁকা গু’লি ছোড়া ও পি’স্তলের আঘাতে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অ’স্ত্রসহ একজনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ৫ নম্বর ধাওয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধাওয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত মো. আলমগীর হোসেন সরদার (৬৫) ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ সরদারের ছেলে। গ্রেফতার ব্যক্তি একই এলাকার মৃত আলী হাওলাদারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম সম্রাট (৬০)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রফিকুল ইসলাম সম্রাট প্রতিবেশী আলমগীর সরদারের বাড়িতে গিয়ে জমির সীমানা নিয়ে কথা বলতে গেলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আলমগীরের নাতি তামীম সরদার (১৫) সম্রাটকে ধাক্কা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় সম্রাট তার সঙ্গে থাকা একটি পি’স্তল বের করে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গু’লি ছোড়েন। গুলির শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আলমগীর সরদার তাকে থামাতে গেলে সম্রাট পিস্তলের বাট দিয়ে তার মাথার ডান পাশে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে আলমগীর সরদার অভিযুক্তকে ধরে ফেললে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গ্রে’ফতার করে।
আহত আলমগীর সরদারকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় আহতের মেয়ে ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে ভাণ্ডারিয়া থানায় রফিকুল ইসলাম সম্রাটকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
Leave a Reply