শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) রাত ৮টার দিকে তিনি মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদান প্রদান করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে আয়োজিত দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান, এএস,আই আব্দুল্লাহ আল মামুন, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ আইয়ুব,ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম রানা এবং সাবেক সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন সহ আরো অনেকেই।পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।পরিদর্শনকালে মন্দিরের সার্বিক পরিবেশ ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখা হয়। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। মন্দিরে অনুদান প্রদানকে কেন্দ্র করে আয়োজকদের মধ্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।সংশ্লিষ্টরা বলেন, ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করে একটি সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে,রাজধানীর,পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পূজা উদ্যাপন কমিটির উদ্যোগ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পূজার আয়োজন শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মুখর থাকবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।অনুষ্ঠানটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সফল ভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্ট পূজা উদ্যাপন কমিটি, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে এমন প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।