
তরিকুল ইসলাম তারেক:
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ২ নং সোহাগদল ইউনিয়নের পশ্চিম সোহাগদল জামে মসজিদের প্রায় ৬ শতক জমি দখল ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে এ অভিযোগ করেছেন মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় মুসল্লিরা।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে সাবেক সচিব এম শামসুল হকের আপন ভাই মরহুম নুরুল আমিন জীবিত অবস্থায় মসজিদের জন্য মৌখিকভাবে ৬ শতক জমি দান করেন। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে মো. ফাইজুল আলম রানা ও মো. ফরিদুল আলম রনি উক্ত জমি মসজিদের নামে আনুষ্ঠানিকভাবে দানপত্র দলিল সম্পন্ন করেন। দলিল নং ২২১, তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, নেছারাবাদ সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে নিবন্ধিত হয়।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, সাবেক সচিব এম শামসুল হক ওই জমি বেদখল করে সেখানে ‘মাতৃছায়া’ নামে একটি তিনতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মসজিদের সম্পত্তি উদ্ধারে উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়।
মুসল্লিদের দাবি, জমি উদ্ধারের চেষ্টা শুরু হলে এম শামসুল হক বাদী হয়ে মসজিদের সাধারণ সম্পাদকসহ প্রায় ৫০ জনকে বিবাদী করে নেছারাবাদ সিভিল জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ৩৭/২০২৬।
অভিযোগকারীরা আরও জানান, মামলা দায়েরের আগে তিনি মসজিদ কমিটিকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং তিনি নিজেই উক্ত মসজিদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সাবেক সচিব এম শামসুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Leave a Reply