• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
Headline
যত দ্রুত সম্ভব মজুরি বোর্ড, এই ইস্যুতে আন্দোলন করলে ব্যবস্থা: শ্রমমন্ত্রী খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী ইসরায়েলে ভোট চলছে, কেন্দ্রে কেন আরব ভোটারদের ভিডিও করছে নেতানিয়াহুর দল দ্বিতীয়বার খোলা হলো লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স, কত টাকা পাওয়া গেল সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন কাঠামোয় বাড়তি বেতন রোববার, অনেকের বেতন নির্ধারণে জটিলতা পিএইচপি কী, এই ত্রুটিতে কী হয়? আয়ারল্যান্ডে ড্রাইভিং থিওরি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বাংলা অ্যাপ ও বই অস্ট্রেলিয়ার ভিসানীতিতে কড়াকড়ি: বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের করণীয় কী পত্রিকা: 'প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ'লীগপন্থী কর্মকর্তারা' সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

জাজিরা থানা পুলিশের অভিযানে VARDS-এর সহযোগিতায় গাজীপুর থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:

শরীয়তপুরের জাজিরা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মানবাধিকার সংস্থা Victory for Aid Rights & Development Society (VARDS)-এর সহযোগিতায় চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. আব্দুর রশিদকে (৬৫) গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাকের ভান্নারা পোড়াচালা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) রওনক জাহানের নির্দেশনায় এবং জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালেহ আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে কনস্টেবল মোক্তার হোসেন ও মো. আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে অংশ নেয়। অভিযানে VARDS সহযোগিতা করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. আব্দুর রশিদ শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত আশু মাদবর। ২০২০ সালে মো. হারুন-অর-রশিদ নামে এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার চেক ডিসঅনারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আদালত আব্দুর রশিদকে দুই মাসের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বাদী হারুন-অর-রশিদ ও আব্দুর রশিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে ব্যবসার উন্নতির কথা বলে আব্দুর রশিদ বাদীর কাছ থেকে এককালীন ১৫ লাখ টাকা ধার নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তী সময়ে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন বলে বাদীর অভিযোগ।

একপর্যায়ে টাকা ফেরত চাওয়া হলে আব্দুর রশিদ ১০ লাখ টাকার একটি চেক দেন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। তবে চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর বাদী জানতে পারেন, সংশ্লিষ্ট হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ নেই।

পরে আব্দুর রশিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী। তার বাসায় গিয়ে সেটিও তালাবদ্ধ দেখতে পান। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, আব্দুর রশিদ মালামাল নিয়ে আগেই সেখান থেকে চলে গেছেন। পরে প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন হারুন-অর-রশিদ।

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার হন সাজাপ্রাপ্ত আব্দুর রশিদ। জাজিরা থানার এসআই আতিকুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

প্রশাসন ও VARDS-এর সমন্বিত সহযোগিতায় পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা