• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির চালিকা শক্তি করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী সিডনিতে কাল চালু হচ্ছে নতুন দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাজীব গান্ধীর সঙ্গে  কীভাবে পরিচয় এবং সম্পর্কে জড়ালেন, জানালেন সোনিয়া নিজে টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে চায় পুলিশ সফল মানুষদের শৈশবের ১০টি অভ্যাস মেসির হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে আলোচনায় স্পেনের ভবিষ্যৎ রানি লিওনর গাবতলীতে ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন ! স্পেনে সর্বকালের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেলেন মেসি বানারীপাড়ায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর রফিক তালুকদারের ইন্তেকাল বৃষ্টি-ঘূর্ণিঝড়ের আচরণ বদলে দেওয়াসহ বিশ্ব আবহাওয়ায় যে পাঁচ প্রভাব ফেলেছে এল নিনো

সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির চালিকা শক্তি করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

Reporter Name / ১ Time View
Update : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

শিল্প, সংস্কৃতি ও কারুশিল্পকে দেশের মূলধারার অর্থনীতির অংশ করতে চায় সরকার। এ জন্য শিল্পী ও কারুশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের পর অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অর্থনৈতিক চিন্তায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকার এই ধারণা থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ প্রয়োজন।সরকারের একার পক্ষে সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতি সহায়তা ও অর্থায়নের পাশাপাশি সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এ খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে। এ খাতে প্রয়োজনীয় তহবিল বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে।দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি তাঁদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, পণ্যের নকশা উন্নয়ন, পরিচিতি তৈরি ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপণনের জন্যও সরকার সহায়তা দেবে। এ ক্ষেত্রে অ্যামাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই–কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক শিল্পী ও কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ বাড়বে।সৃজনশীল শিল্প শুধু শিল্পকলা, কারুশিল্প কিংবা ব্যবসায়ের বিষয় নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচিতি ও প্রভাব বাড়ানো সম্ভব। সরকার এ খাতকে দেশের সফট পাওয়ার বা সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা