নিজস্ব প্রতিবেদক:
সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দারোয়ান ও সন্দ্বীপ পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. আবুল বাশারকে ঘিরে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগসংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ওই ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিকে স্থানীয়ভাবে আবুল বাশার হিসেবে শনাক্ত করার দাবি করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগও ওঠে।
ঘটনাটি নিয়ে সন্দ্বীপ থানার পক্ষ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে আবুল বাশার রাতের আঁধারে চট্টগ্রামে চলে যান বলে স্থানীয়দের দাবি। দীর্ঘ ১৯ দিন পর তিনি আবারও সন্দ্বীপে ফিরেছেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী যদি নিরাপদ না থাকেন, তাহলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ পুরো সন্দ্বীপে নারীদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?
তারা আরও বলেন, এ ধরনের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা না হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং সমাজে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আরও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
এদিকে আবুল বাশার পুনরায় তার কর্মস্থল সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দিতে পারেন—এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তিনি এখনো চাকরিতে যোগ দিয়েছেন—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তার পুনরায় কর্মস্থলে যোগদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের প্রশ্ন—ভাইরাল ভিডিওকাণ্ড ও ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি কোথায়? অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না?
এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেছেন স্থানীয়রা।