• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত দাউদকান্দিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বিশেষ সংবাদ: গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ কালকিনিতে ইসাহাক হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী বাকেরগঞ্জে সুমন হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে সিআইডির হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন বানারীপাড়ায় তিন ডাকাত গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ ঢাকা দক্ষিণের বর্জ্য থেকে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের বৈঠক বিশেষ সংবাদ: নারী ফুটবল: গোলশূন্য ড্রয়ে এশিয়ান গেমস শেষ বাংলাদেশের

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার পাথরডুবির মানুষের

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এম সাইফুর রহমান: নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

স্বাধীনতার পর থেকে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরডুবি থেকে থানাঘাট যাওয়ার পথে গলাচিপা এলাকায় স্থায়ী সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ ৫৫ বছরেও সেখানে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষিণ পাথরডুবি ও থানাঘাট এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ পথে চলাচল করেন। কিন্তু গলাচিপা এলাকায় সেতু না থাকায় বাঁশের সাঁকোটিই তাদের একমাত্র ভরসা। স্থানীয়রা নিজেদের বাঁশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে সাঁকো তৈরি করা হলেও এক বছর পার না হতেই ভেঙে যায়। আবার নতুন করে তৈরি করতে হয়। এই সাঁকো দিয়ে কৃষি চাষাবাদ ও অসুস্থ রোগী নিয়ে যাওয়া যায় না। পানি কম থাকলে কাঁধে করে পারাপার করা হয়। অনেকে অসুস্থ হলেও যাতায়াতের ভোগান্তিতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটি দিয়ে পারাপারের সময় অনেকেই ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি বেড়ে গেলে এবং সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাঁকো পার হতে গিয়ে ইতোমধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। কারও হাত-পায়ে আঘাত লেগেছে, আবার কারও হাত ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সাঁকোটি পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, “একটা ব্রিজের জন্য স্থানীয় পর্যায় ছাড়াও সাবেক ও বর্তমান এমপি এবং ঢাকা থেকে আগত পিডি ও ইঞ্জিনিয়ারদের দেখানো হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কেউ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। এলাকাবাসীর দাবি, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে। একই সঙ্গে কমবে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা