• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
Headline
'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে যে কারণে অপমানিত হয়েছিলেন তাসরিফ খান? মুগদার হোটেল মেক্স ইন নিয়ে মাদক সরবরাহ ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ…… সজীবের বিরুদ্ধে সাথী আক্তারের অপরাধ কী শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তাঁর দুই স্ত্রীকে গ্রামছাড়া শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে 'মব' ফেস করবেন না: জাহেদ উর রহমান যত দ্রুত সম্ভব মজুরি বোর্ড, এই ইস্যুতে আন্দোলন করলে ব্যবস্থা: শ্রমমন্ত্রী খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী ইসরায়েলে ভোট চলছে, কেন্দ্রে কেন আরব ভোটারদের ভিডিও করছে নেতানিয়াহুর দল দ্বিতীয়বার খোলা হলো লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স, কত টাকা পাওয়া গেল

মুগদার হোটেল মেক্স ইন নিয়ে মাদক সরবরাহ ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ…… সজীবের বিরুদ্ধে

সুমন খান / ৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক সরবরাহ ও কথিত মাদক ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। হোটেলটির নাম ‘হোটেল মেক্স ইন ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক’। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সজীব নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এসব কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর ৫৫, অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা বিশ্বরোড, ঢাকায় অবস্থিত হোটেলটিকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। আবাসিক হোটেলের আড়ালে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।ব্যবস্থাপক সজীবকে ঘিরে প্রশ্ন? অভিযোগে সজীব নামের এক ব্যক্তিকে হোটেলটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ কারীদের দাবি, এর আগে মিরপুর ও ফার্মগেট এলাকায় তাঁর চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। বর্তমানে মুগদার এই হোটেলে ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থেকে তিনি একই ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ গুলোর পক্ষে স্বাধীন ভাবে যাচাই করা নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তথ্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। ফলে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।মাদক সরবরাহের অভিযোগ, নজরদারি কতটা কার্যকর?হোটেলটিকে ঘিরে মাদক সরবরাহ ও কথিত মাদক ব্যবসার অভিযোগও গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। আবাসিক হোটেলটি ব্যবহার করে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ কিংবা অন্য কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।বিশেষ করে হোটেলে কারা আসা-যাওয়া করছেন, আবাসিক অতিথিদের পরিচয় ও নিবন্ধন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটছে কি না এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুসন্ধান প্রয়োজন।তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।হোটেলটির কার্যক্রম নিয়ে তদন্তের দাবি,মুগদার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোনো আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। হোটেলটির বৈধ লাইসেন্স, নিবন্ধন, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি এবং পরিচালনা সংক্রান্ত নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা দরকার।একই সঙ্গে হোটেলটিতে কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করা যেতে পারে। প্রয়োজনে আইনসম্মত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে প্রশাসন।নেপথ্যে কারা উত্তর খুঁজছে অভিযোগকারীরা,হোটেলটিকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো বেআইনি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকলে তার সঙ্গে কারা জড়িত এবং এর পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না।তবে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মদদ রয়েছে—এমন অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত না দিয়ে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করাই হবে যথাযথ পদক্ষেপ।
মুগদা থানা পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ হোটেল মেক্স ইন ইন্টারন্যাশনাল আবাসিককে ঘিরে ওঠা অভিযোগ গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য মুগদা থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।অভিযোগের সত্যতা যাচাই, হোটেলটির বৈধ কাগজপত্র পরীক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটছে কি না তা অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে আনা জরুরি।অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এটাই প্রত্যাশা। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা না মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।এখন দেখার বিষয়, হোটেলটিকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয় এবং তদন্তে প্রকৃতপক্ষে কী তথ্য উঠে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা