র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাব সৃষ্টিকাল থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনী, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারসহ- ডাকাত, মাদক চোরাচালানকারী, অপহরণকারী, প্রতারক ও হত্যাকান্ডের অপরাধে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও সাম্প্রতিককালে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে র্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। অদ্য ০৬ আগস্ট ২০২৬ইং তারিখ ভোর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি সাহেববাজার এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১,৯৪,০০০ (এক লক্ষ চুরানব্বই হাজার) পিস চোরাচালানকৃত বিদেশী সিগারেট এবং চোরাচালানকৃত সিগারেট পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। পৃথক অপর একটি অভিযানে অদ্য ০৬ আগস্ট ২০২৬ইং তারিখ সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন দূর্গাপুর (পূর্বপাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫)’নামক ০১জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ১৮ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার পশ্চিম ইটাল্লা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক ও চোরাচালান বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদক ও চোরাচালানের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।