• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
Headline
তালাপ্রসাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদের অনৈতিক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, তদন্তপূর্বক ব্যবস্থার আশ্বাস ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে বের করে কার্যালয়ে তালা ২১ মাস পরে গৌরনদীর সাবেক মেয়র হারিছুর রহমান কারামুক্ত চুরি মামলায় গ্রেপ্তার যুবককে পিটিয়ে হত্যার গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা: ৫ পুলিশসহ আহত ১২ মিরপুরে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ: বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার ১ বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ অনিয়মের অভিযোগ: মোটরযান পরিদর্শক অনিমেষ মণ্ডলকে নিয়ে প্রশ্ন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া সেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বরিশালে অন্ডকোষ চেঁপে চেকে স্বাক্ষর আদায় বরিশালে সাংবাদিকের ওপর বালু খেকোদের হামলা

ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে বের করে কার্যালয়ে তালা

রাহাদ সুমন / ১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

ফ্যাসিস্টের দোসর ও জুলাই বিরোধীতার অভিযোগ তুলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনকে তার কার্যালয় থেকে বের করে দিয়েছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এরপর কক্ষে তালা দেন তারা। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রবিবার ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন। প্রায় এক ঘণ্টা কার্যালয়ে অবস্থান করার পর তিনি বেরিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর জুলাই আন্দোলনের কর্মী পরিচয় দিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেন।

এরপর বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি আবার দপ্তরে আসেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ড্যাবের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে কক্ষ ছাড়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন। তবে তিনি কক্ষ ত্যাগে রাজি না হওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ তর্ক-বিতর্ক চলে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে আরও শিক্ষার্থী সেখানে গেলে তাদের দাবির মুখে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পরিচালককে কক্ষ থেকে বের করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

ড্যাবের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে নানাভাবে আমাদের পদোন্নতি আটকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সময়ও সকল সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন মনিরুজ্জামান শাহীন। এখন আবার তারাই সকল সুযোগ-সুবিধায় এগিয়ে রয়েছেন। তাকে কার্যালয় ত্যাগ করানো হয়েছে।’
মেডিকেলের শিক্ষার্থী জোনায়েদ ইসলাম দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় মনিরুজ্জামান শাহীন আন্দোলনকারীদের তালিকা করে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দিয়েছিলেন। আহতদের চিকিৎসা পর্যন্ত হাসপাতালে দিতে দেননি হাসপাতালের তৎকালীন এই উপপরিচালক। তিনি কীভাবে এত বড় পদে আসীন হলো। আমরা তাকে বের করে কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। জুলাই গাদ্দার কাউকে আর মাথায় তোলা যাবে না।

অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন বলছিলেন, ‘ছাত্রজীবনে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। বর্তমানে ড্যাবের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জুলাই আন্দোলনের সময় পরিচালকের নির্দেশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছি। এখন মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নেবে, তার অপেক্ষায় রয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা