সম্প্রতি”এর অনলাইন সংস্করণসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “উত্তরা বিআরটিএর লাইসেন্স কার্যক্রমে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি আমরা তীব্র প্রতিবাদ, নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।প্রকাশিত সংবাদে উত্তরা বিআরটিএর দুইজন লাইসেন্স ইন্সপেক্টর—হাফিজ (১) ও হাফিজ (২)-এর বিরুদ্ধে লাইসেন্স পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। অথচ এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য, সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, লিখিত প্রমাণ বা আদালত কর্তৃক প্রমাণিত কোনো তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।আমরা মনে করি, যথাযথ যাচাই-বাছাই ও তথ্য-প্রমাণ ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রকাশ করা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করে না, বরং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নও উত্থাপন করে।
যদি কারও কাছে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ থেকে থাকে, তাহলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে আইনানুগ তদন্তের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টির সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের জোর দাবি জানাচ্ছি।তদন্তে যদি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অন্যদিকে, অভিযোগগুলো যদি অসত্য, ভিত্তিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।আমরা বিশ্বাস করি, সত্য, নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সংবাদ পরিবেশন করা উচিত। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, তথ্যের যথাযথ যাচাই এবং ন্যায়সঙ্গত সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমেই জনস্বার্থ ও গণমাধ্যমের নৈতিকতা সমুন্নত রাখা সম্ভব।সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তই হোক একমাত্র পথ—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।