• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
রাজবাড়ীতে বৈষম্য বিরোধী এজাহার ভুক্ত আসামি দেলোয়ার চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক সভায় উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ নিয়ে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের ফের রাজপথ অবরোধ কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন? বানারীপাড়ায় ইলুহার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে আলহাজ্ব মাওলানা ফরিদ আহম্মেদ নিজের সেঞ্চুরির চেয়ে দলের জয়ই মুখ্য রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ সঙ্গীর খোঁজে চার হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিল কুকুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১০ম গ্রেডের বাছাই পরীক্ষার ফল, উত্তীর্ণ ২১৪

কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান

Reporter Name / ১ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশের ফ্যাশন এখন শুধু দেশের বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের কাজ তুলে ধরছেন দেশের ডিজাইনাররা। দেশীয় ফ্যাশনশিল্পের পরিবর্তন, বড় বিনিয়োগের প্রভাব, তাঁত ও কারুশিল্পের ভবিষ্যৎ এবং জামদানি নিয়ে ডিজাইনার মাহীন খানের সঙ্গে কথা বলেছেন হুমায়রা মেহজাবীনবাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে এখন কোথায় দেখেনবাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অনেকখানি উন্নত হয়েছে। নতুন মানুষ নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করছেন। তবে একটি বড় সমস্যা এখনো রয়েছে—পুঁজি। ব্যবসা শুরু করা এবং দীর্ঘ সময় চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা বিশেষ করে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।করোনার সময় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সবাই বড় ধাক্কা খেয়েছিল। অনেকের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেকে ভাড়া দিতে পারেননি বা কাজ বন্ধ করতে হয়েছে। পরে অনলাইনে নতুনভাবে কাজ শুরু হয়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের ফ্যাশনকে আবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এখন অনেকেই সুন্দর কাজ করছেন।বড় বিনিয়োগ দেশীয় ফ্যাশনে কী প্রভাব ফেলছে?বড় পোশাক কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন দেশীয় খুচরা বাজারে বড় বিনিয়োগ করছে। বড় পরিসরে দোকান ও বাজার তৈরি হচ্ছে। তবে এর মধ্যে আমাদের কিছু দেশীয় কারুশিল্প আঘাত পাচ্ছে। তাঁত, নকশিকাঁথা ও হাতের তৈরি কাজ ছোট উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে রেখেছেন। তাঁরা গবেষণা করে দেশীয় কারুশিল্পকে নতুনভাবে কাজে লাগান। কিন্তু বড় বাজারে দ্রুত উৎপাদনের প্রয়োজন হয়। মেশিন ও ডিজিটাল সূচিশিল্পের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন সম্ভব। এটি মূলত দ্রুতগতির ফ্যাশনের বাজার। তাই ছোট পরিসরে গবেষণামূলক ও হাতে তৈরি কাজকে টিকিয়ে রাখা জরুরি। দেশীয় কারুশিল্পকে এগিয়ে নিতে তাহলে কী প্রয়োজনশুধু ভালো নকশা থাকলেই হবে না। উৎপাদন, মান, নকশা ও বিপণন—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন। উৎপাদন কোথায় হবে, কারা তৈরি করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ কেমন হবে—প্রতিটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনেক নারী নিজের বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারেন। এ ধরনের আরও উদ্যোগ হলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান বাড়বে, পাশাপাশি আমাদের কারুশিল্পও শক্তিশালী হবে।ডিজাইনার মাহিন খানজামদানি ও দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে নানা ধরনের দাবির কথা শোনা যায়জিআই বা ভৌগোলিক পরিচয়ের বিষয়টি বুঝতে হবে। একটি শিল্পের সঙ্গে তার ভৌগোলিক পরিচয়ের সম্পর্ক রয়েছে। রাজস্থান, কাঞ্জিপুরাম বা কাশ্মীর—প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। আমাদেরও রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্য নিয়ে অনেক সময় টানাটানি হয়। যেমন জামদানি। এটি শুধু একটি কাপড় নয়, আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। তাই নিজের ঐতিহ্যকে রক্ষা ও সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে।আপনি নিজেও তো পুরোনো কাঁথার নকশা নিয়ে কাজ করছেনপুরোনো বাংলার কাঁথার মধ্যে আমাদের ইতিহাস রয়েছে। উনিশ ও বিশ শতকের পুরোনো কয়েকটি কাঁথার নকশা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেগুলোকে নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। খুলনা, ফরিদপুর, যশোর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কারুশিল্পের নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। এই ইতিহাস ও ঐতিহ্য আমাদের নিজেদেরই জানতে হবে।রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?ফ্যাশনে ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন মাহিন খানবাঙালির পোশাকের নিজস্বতাকে কীভাবে দেখেন?পোশাক ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। বিশ্ব এখন অনেক কাছাকাছি এসেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের ফ্যাশন ও রুচির মধ্যে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে। তবে একটি ভালো আর অন্যটি খারাপ—এভাবে দেখি না। কিন্তু নিজের ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। আমরা বাঙালি, আমাদের রুচির একটি নিজস্বতা আছে। সুতি কাপড়, হালকা রং ও আরামদায়ক পোশাক আমাদের জীবনযাপন ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে যায়। বাংলাদেশের ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?শুধু অন্য দেশের পণ্য বন্ধ করলেই হবে না। আমাদের নিজেদের পণ্যকে এমন ভালো করতে হবে, যাতে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তার মূল্য বুঝতে পারে। ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস না করে তাকে আধুনিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলেই বাংলাদেশের ফ্যাশন আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমাদের কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। আমাদের যা আছে, সেটিকেই আরও সুন্দরভাবে উন্নত করতে হবে। ভালো নকশা, উৎপাদন, মান ও সঠিক বিপণনের সমন্বয় দরকার।অনলাইনে সৌন্দর্য বিষয়ক সবকিছু অন্ধভাবে অনুসরণ করা ঠিক নয়: কানিজ আলমাস খান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা