• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
কী পরিমাণ ডলার খরচ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণায়? ইউরোপের সাতটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে বোমা হামলার হুমকি তারেক-সির সমঝোতা বাস্তবায়নে ঢাকায় চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত  সাংবাদিককে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থানান্তর না হলে হাইকোর্টে রিট অবশেষে গুড়িয়ে দেয়া হলো বসত ঘরের মাঝের সেই দুটি কবর বরিশালে নিস্পত্তিকৃত মাদক মামলার আলামত পুড়িয়ে ধ্বংস বরিশালে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি শিশুকন্যা, স্কুলশিক্ষিকাসহ তিন নারীকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ আমি গরিবের ছেলে, টাকার লোভ সামলাতে পারিনি: ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ

মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত 

Reporter Name / ৫ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটনকেন্দ্র ‘জোন্স বিচ’। প্রতিবছর কোটি কোটি দর্শনার্থী এই সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে আসেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই সৈকতের নাম যাঁর নামে রাখা হয়েছে, সেই টমাস জোন্স আদতে ১৭ শতকের এক দুর্ধর্ষ জলদস্যুর সহযোগী ছিলেন। সম্প্রতি মার্কিন শখের ইতিহাসবিদ জেমস বেইলির গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।পাঁচ বছর আগে কুখ্যাত ইংরেজ জলদস্যু ক্যাপ্টেন হেনরি এভরির ব্যবহৃত প্রাচীন মুদ্রা খুঁজে পেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন বেইলি। সম্প্রতি তৎকালীন ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন দলিল ও নথিপত্র ঘেঁটে তিনি দাবি করেন, হেনরি এভরি ও তাঁর দুর্ধর্ষ জলদস্যু দলকে পালিয়ে যেতে সরাসরি সাহায্য করেছিলেন এই টমাস জোন্স।১৬৯৫ সালে লোহিত সাগরে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজকীয় জাহাজ ‘গঞ্জ-ই-সাওয়াই’-এ ভয়াবহ ডাকাতি করে ক্যাপ্টেন এভরির দল। জাহাজের যাত্রী ও নাবিকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কোটি কোটি ডলার মূল্যের সোনা-রুপা লুট করে জলদস্যুরা। এটিই ইতিহাসে জলদস্যুতার সবচেয়ে বড় ডাকাতির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে প্রথম কোনো অপরাধীকে ধরতে সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়। কিছু জলদস্যু ধরা পড়লেও ক্যাপ্টেন এভরি ও তাঁর প্রধান সহযোগীরা চিরতরে আত্মগোপনে চলে যান।ঐতিহাসিক নথি থেকে জানা যায়, বিপুল সম্পদসহ পালিয়ে যাওয়ার সময় টমাস জোন্স তাঁদের পথনির্দেশক হিসেবে সাহায্য করেছিলেন। এই সহায়তার পর ১৭ শতকের শেষের দিকে জোন্স নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে বিপুল সম্পত্তির মালিক হন এবং তিমি শিকারের ব্যবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৬৯৮ সালে নিউইয়র্কের গভর্নর এক তদন্ত প্রতিবেদনে জোন্সকে ‘সাবেক দস্যু’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর বাড়িতে গোপন দস্যুতার অর্থ থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে জোন্স ইংরেজ সেনাবাহিনীর একজন মেজর ছিলেন।টমাস জোন্সের নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত এই সৈকত নিউইয়র্কের ঐতিহ্যের অংশ হলেও নতুন এই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও অভিজাত শ্রেণির গড়ে ওঠার পেছনে জলদস্যুতার প্রত্যক্ষ ভূমিকার এক ঐতিহাসিক দিককে উন্মোচিত করেছে।জোন্স বিচ: অ্যান ইলাস্ট্রেটেড হিস্ট্রি বইয়ের লেখক জন হ্যাঙ্ক বলেন, জোন্সের বিতর্কিত অতীতের যে অংশটি এত দিন স্থানীয় ইতিহাসের বইগুলোতে কেবল ইঙ্গিতে বলা হতো কিন্তু বিশদভাবে উঠে আসেনি, বেইলির এই গবেষণা সেটির ওপরই নতুন করে আলোকপাত করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা