• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
বাংলালিংকের অ্যাপের নতুন রূপ মুক্ত জাপান সফরের চুক্তি ও বিনিয়োগ নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে পোশাক শ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে ভয় দেখাতেন ‘সমন্বয়ক’, দাবি করেন ৫০ লাখ টাকা মিরপুরের কালশীতে এক পুলিশকে ঘিরে ধরে মারধর করেন কয়েকজন, জানালেন প্রত্যক্ষদর্শীরা মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ সন্তানের মানসিক বিকাশ ও সংকট দূরীকরণে অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম আলোতে হামলা: সাড়ে ১০ মাসেও তদন্ত এগোয়নি, গ্রেপ্তার সবাই জামিনে মুক্ত পত্রিকা: 'পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ'লীগের ভয়ঙ্কর ছক' ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে একজন নারীর প্রার্থিতা এবং একটি পুরোনো পরীক্ষা

Reporter Name / ৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

যে প্রতিষ্ঠানের জন্ম যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে, তার নেতৃত্বের সার্থকতা শেষ পর্যন্ত মাপা হয় কত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া থেকে রক্ষা পেল, সেই হিসাবে।জাতিসংঘের মহাসচিবের পদ তাই একই সঙ্গে বিপুল মর্যাদার এবং গভীর অসহায়ত্বের। তাঁকে পৃথিবীর বিবেকের ভাষায় কথা বলতে হয়, অথচ সেই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোকে বাধ্য করার ক্ষমতা তাঁর হাতে থাকে না। এই বৈপরীত্যের মধ্যেই লানা জাকি নুসাইবার প্রার্থিতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে—একজন নারী কি জাতিসংঘের নেতৃত্বে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে পারেন? আর ব্যক্তির পরিবর্তন কতটা বদলাতে পারে ক্ষমতার পুরোনো কাঠামো?নুসাইবা এখনো মহাসচিব নন। সংযুক্ত আরব আমিরাত তাঁকে ২১ অক্টোবর মনোনীত করেছে এবং ২৭ অক্টোবর তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে জাতিসংঘে উন্মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের পর সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়োগ করে। ফলে তাঁর সম্ভাব্য বিজয়ের তাৎপর্য আলোচনা করা যায়, কিন্তু নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে বলা যায় না। নির্বাচিত হলে তিনি হবেন জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব—সমতার পক্ষে কথা বলা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিলম্বিত অথচ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।জাতিসংঘ অধিবেশনে ইউনূস ও কূটনীতি নিয়ে কিছু প্রশ্নজাতিসংঘ অধিবেশন: অতীত আর ভবিষ্যতের মধ্যে আটকা পড়া সম্মেলননুসাইবার প্রার্থিতার শক্তি তাঁর দীর্ঘ বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা। তিনি ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে আমিরাতের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন।সাধারণ পরিষদের সহসভাপতি এবং ইউএন উইমেনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।আমিরাতের নিরাপত্তা পরিষদ সদস্যপদকালে গাজায় মানবিক সহায়তা সম্প্রসারণ এবং আফগান নারীদের ওপর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকার কথা দেশটির সরকারি বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।এ অভিজ্ঞতা প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার পরিচায়ক। তবে রাষ্ট্রের স্বার্থ সফলভাবে উপস্থাপন করা এবং সমগ্র আন্তর্জাতিক সমাজের আস্থা অর্জন করা ভিন্ন পরীক্ষা।জাতিসংঘ সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদে মহাসচিবকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলা হয়েছে। বাস্তবে তাঁকে মধ্যস্থতাকারী, সংকটের সতর্কবার্তাবাহক এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সংগঠকের ভূমিকাও নিতে হয়।৯৯ অনুচ্ছেদ তাঁকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হওয়া বিষয় নিরাপত্তা পরিষদের নজরে আনার ক্ষমতা দেয়। আবার ১০০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি কোনো সরকারের নির্দেশ গ্রহণ করতে পারেন না।জাতিসংঘ এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’মানবাধিকার: সরকার যা বলে আর জাতিসংঘ যা বলেঅর্থাৎ যে রাষ্ট্র তাঁকে মনোনয়ন দেয়, নির্বাচিত হওয়ার পর সেই রাষ্ট্রের প্রত্যাশার চেয়েও তাঁর দায়িত্বের পরিসর বড়।কিন্তু আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা বাস্তব ক্ষমতার সমার্থক নয়। মহাসচিবের নিজস্ব সেনাবাহিনী নেই, রাষ্ট্রের মতো কর আদায়ের ক্ষমতাও নেই। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের বিরোধিতা তিনি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে অতিক্রম করতে পারেন না।তাঁর শক্তি মূলত বিশ্বাসযোগ্যতা, তথ্য, মধ্যস্থতা এবং রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলার সামর্থ্য।২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর আন্তোনিও গুতেরেস গাজার মানবিক বিপর্যয় নিয়ে ৯৯ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করেছিলেন।এ উদ্যোগ দেখায়, মহাসচিব জরুরি বিপদকে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনতে পারেন। কিন্তু সতর্কবার্তাকে কার্যকর সিদ্ধান্তে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রগুলোরই।এ পদে প্রথম একজন নারীর আগমন কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ, নেতৃত্বের দীর্ঘ একচেটিয়াত্ব কেবল ব্যক্তিগত সুযোগের প্রশ্ন নয়, প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতাবণ্টনেরও পরিচয়। একজন নারী মহাসচিব সেই ইতিহাসে দৃশ্যমান বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন।জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে লানা জাকি নুসাইবা। তবে নারী বলেই কেউ স্বভাবত বেশি শান্তিপ্রিয়, সহমর্মী কিংবা ন্যায়নিষ্ঠ—এমন অনুমানও যুক্তিসংগত নয়।নারীর নেতৃত্বকে মাতৃত্বের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখা তাঁর রাজনৈতিক সক্ষমতাকে সংকুচিত করে।মূল্যায়নের ভিত্তি হওয়া উচিত সিদ্ধান্ত, স্বাধীনতা ও ফলাফল। একই সঙ্গে তাঁকে এমন দ্বৈত বিচারের মুখোমুখি হতে হতে পারে, যেখানে দৃঢ়তা ‘কঠোরতা’ এবং সমঝোতা ‘দুর্বলতা’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।প্রতিনিধিত্বের পরিবর্তনকে অর্থবহ করতে হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াও বদলাতে হবে। নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব ২০০০ সালেই শান্তি ও নিরাপত্তায় নারীর অংশগ্রহণের গুরুত্ব স্বীকার করেছিল।অথচ জাতিসংঘের হিসাবে শান্তিপ্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীদের ১০ শতাংশেরও কম নারী। ফলে শীর্ষে একজন নারী বসা এবং শান্তি আলোচনায় নারীদের কার্যকর ক্ষমতা পাওয়া এক বিষয় নয়।স্থানীয় শান্তিকর্মী, বাস্তুচ্যুত নারী এবং সংঘাতপীড়িত জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতাকে আলোচনার সিদ্ধান্তে জায়গা দেওয়াই হবে বড় পরীক্ষা। তাঁদের উপস্থিতি যেন অনুষ্ঠানের ছবি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ না থাকে।রুয়ান্ডা ও স্রেব্রেনিৎসা তার নৈতিক ব্যর্থতার স্থায়ী স্মারক। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় গণহত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থতা এবং ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত নিরাপদ অঞ্চল স্রেব্রেনিৎসায় গণহত্যা দেখিয়েছে, নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি প্রয়োজনীয় সামর্থ্য ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কতটা ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়তে পারে।জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ বিচার করতে হলে তার অর্জনও মনে রাখতে হবে। যুদ্ধ বন্ধে ব্যর্থতার দৃশ্য আমাদের চোখে পড়ে, রোগ প্রতিরোধ কিংবা টিকে যাওয়া শান্তির সুফল তুলনামূলক কম দৃশ্যমান।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূল ঘোষিত হয়। এই অর্জন কোনো একক প্রতিষ্ঠানের নয়, জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা, বিজ্ঞানী ও মাঠকর্মীদের সম্মিলিত সাফল্য।জাতিসংঘ ব্যবস্থার মূল্য এখানেই—বিচ্ছিন্ন সামর্থ্যকে অভিন্ন লক্ষ্যে যুক্ত করা। নামিবিয়া থেকে তিমুর-লেস্তে এবং এল সালভাদর পর্যন্ত যুদ্ধ থেকে শান্তিতে উত্তরণেও জাতিসংঘের কার্যকর অবদান রয়েছে।অন্যদিকে রুয়ান্ডা ও স্রেব্রেনিৎসা তার নৈতিক ব্যর্থতার স্থায়ী স্মারক। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় গণহত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থতা এবং ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত নিরাপদ অঞ্চল স্রেব্রেনিৎসায় গণহত্যা দেখিয়েছে, নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি প্রয়োজনীয় সামর্থ্য ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কতটা ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়তে পারে।জাতিসংঘ নিজেই এসব ঘটনায় তদন্ত ও মূল্যায়ন করেছে। তাই সব দায় শুধু বৃহৎ শক্তির ওপর চাপিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভুল আড়াল করা চলে না।বন্দোবস্তের বাইরে নারী, রাজনীতির বাইরে নয়নির্বাচনে নারী, গভীর রাতে ফোনে বার্তা এবং অদৃশ্য শক্তি আবার মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ব্যর্থতা দিয়ে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর দায়িত্বও মুছে দেওয়া যায় না। দায়িত্বের এই স্তরগুলো পৃথক করেই জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।নুসাইবার ক্ষেত্রে স্বাধীনতার প্রশ্নটি বিশেষ মনোযোগ দাবি করে। সুদানের র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে সহায়তার অভিযোগে আমিরাত আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে রয়েছে; দেশটি অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই প্রেক্ষাপটে নুসাইবার পূর্ববর্তী রাষ্ট্রীয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগকে তার একজন কূটনীতিকের ব্যক্তিগত অপরাধের প্রমাণ হিসেবে দেখাও অনুচিত।প্রাসঙ্গিক পরীক্ষা হলো, তিনি কি মনোনয়নদাতা রাষ্ট্রসহ সব পক্ষের আচরণ একই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার করতে পারবেন? তাঁর স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা বক্তব্যের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত দিয়েও যাচাই করতে হবে।পরবর্তী মহাসচিবের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে আস্থার সংকট মোকাবিলা। দুর্বল রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং শক্তিশালী রাষ্ট্র বা তার মিত্রের ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখা গেলে প্রতিষ্ঠানের নৈতিক কর্তৃত্ব ক্ষয় হয়।মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা ভিন্নমানবাধিকার লঙ্ঘন আড়াল না করলে দপ্তরে আপত্তি কেনগাজা, ইউক্রেন, সুদান ও মিয়ানমারের মতো সংকটে তাই একই নীতির ধারাবাহিক প্রয়োগ জরুরি।নিরপেক্ষতা মানে সব পক্ষের দায় সমান ঘোষণা করা নয়; বরং নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দায় নির্ধারণ, বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা এবং অপরাধীর পরিচয়–নির্বিশেষে জবাবদিহির পক্ষে থাকা। কূটনৈতিক দরজা খোলা রাখা ও অন্যায়ের নাম উচ্চারণের মধ্যে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য খুঁজতে হবে।এর সঙ্গে রয়েছে অর্থায়ন ও প্রশাসনিক সক্ষমতার সমস্যা। সদস্যরাষ্ট্রের চাঁদা সময়মতো না এলে অনুমোদিত কর্মসূচিও কার্যকর করা কঠিন হয়; জাতিসংঘের ২০২৬ সালের আর্থিক মূল্যায়নেও গভীরতর তারল্য–সংকটের কথা এসেছে।সংস্কারের অর্থ তাই শুধু ব্যয় কমানো হতে পারে না। কোন দপ্তরের কাজ পুনরাবৃত্ত, কোথায় সিদ্ধান্ত অযথা বিলম্বিত হয় এবং কোথায় কাটছাঁট মানুষের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা দুর্বল করবে—এসব আলাদা করে দেখতে হবে।একইভাবে শান্তিরক্ষী ও কর্মকর্তাদের অসদাচরণের অভিযোগে স্বাধীন তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতিকার নিশ্চিত করা প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতার অপরিহার্য শর্ত।জলবায়ু পরিবর্তন, ঋণসংকট, বাস্তুচ্যুতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসনব্যবস্থাও পরবর্তী নেতৃত্বের সামনে থাকবে।এগুলো পৃথক নীতিক্ষেত্র হলেও মানুষের জীবনে পরস্পর যুক্ত। জীবিকা হারানো পরিবার, আশ্রয়হীন শিশু কিংবা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের তরুণের কাছে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল্য নির্ধারিত হয় বাস্তব সহায়তায়।মহাসচিব একা নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার করতে পারবেন না, কিন্তু আলোচনাকে এগিয়ে নিতে, উপেক্ষিত কণ্ঠকে সামনে আনতে এবং রাষ্ট্রগুলোর প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কাজের ব্যবধান প্রকাশ করতে পারবেন।নুসাইবা নির্বাচিত হলে ইতিহাসের একটি দরজা খুলবে। কিন্তু সেই দরজা দিয়ে শুধু একজন নারী প্রবেশ করলেই জাতিসংঘের পুনর্জন্ম ঘটবে না।পরিবর্তনের গভীরতা বোঝা যাবে সিদ্ধান্তের টেবিলে কারা জায়গা পেল, বিপদের সতর্কবার্তা কত আগে শোনা হলো এবং প্রতিশ্রুত সুরক্ষা কত মানুষের কাছে পৌঁছাল, তা দিয়ে। প্রথম নারী মহাসচিব হওয়ার মর্যাদা নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক।তার চেয়েও কঠিন অর্জন হবে এমন নেতৃত্ব দেওয়া, যার সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় মানুষ জাতিসংঘকে দূরের একটি ভবন নয়, নিজের বিপদের দিনে কার্যকর একটি আশ্রয় হিসেবে চিনতে পারে।ড. এ কে এম আহসান উল্লাহ, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক, নিরাপত্তা এবং অভিবাসন। ইউনিভার্সিটি অব ব্রুনেই দারুসসালাম, ব্রুনেই।akmahsanullah@.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা