• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
Headline
শাহআলীতে মাদকবিরোধী কর্মসূচি: সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান বরিশাল থেকে সবধরনের বাস, মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ, যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ গৌরনদীতে ভাতিজীকে ধর্ষনের অভিযোগে চাচার বিরুদ্ধে মামলা শিক্ষার্থীদের শপথ পড়ালেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিনজন আটক, জেলে পাঠানো হলো পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপনে ছাত্র হিযবুল্লাহর আনন্দ মিছিল থ্রি-হুইলার ও বাস শ্রমিকদের দ্বন্ধে বরিশাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ বরিশালে বেহাল স্বাস্থ্যসেবা: নিজেই অসুস্থ ১১৪ বছরের সদর হাসপাতাল তৃতীয় জানাজা শেষে সাংবাদিক মিরাজের দাফন সম্পন্ন : শোকে স্তব্দ বরিশালের মিডিয়াঙ্গন আজ সাংবাদিক সোহেল সানি ও রাহাদ সুমনের পিতা আব্দুল মালেক মিয়ার ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

গাজীপুর বিআরটিএতে অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ: মাহফুজুর-নাসিরুল সিন্ডিকেট নিয়ে প্রশ্ন

সুমন খান / ৪৫ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

গাজীপুর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সার্কেলে ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের ফিটনেস সনদ এবং রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমকে ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এস এম মাহফুজুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট মোটরযান পরিদর্শকদের যোগসাজশে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে রেখেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে সরকারি সেবা কার্যক্রমকে বাণিজ্যে পরিণত করা হয়েছে।লাইসেন্স শাখায় ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না—এমন অভিযোগ
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের লার্নার ও চূড়ান্ত পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে নির্ধারিত ঘুষ পরিশোধ না করলে ফাইল আটকে রাখা, অযৌক্তিক ত্রুটি দেখানো এবং দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি করা হয়। অনেক লাইসেন্সপ্রার্থী জানান, লার্নার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। তবে দালালচক্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করলে অল্প সময়েই কাজ সম্পন্ন হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।ফিটনেস সনদেও অনিয়মের অভিযোগ,ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফিটনেস সনদ প্রদানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়ম চলছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয় অর্থ না দিলে অনেক ক্ষেত্রে ত্রুটিমুক্ত যানবাহনকেও অনুপযুক্ত দেখানো হয়। আবার অর্থের বিনিময়ে ত্রুটিপূর্ণ বা মানহীন যানবাহনও সহজেই ফিটনেস সনদ পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সেবাগ্রহীতারা। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের অনিয়ম সড়ক নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
দালালচক্রের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতারা,অভিযোগকারীরা জানান, বিআরটিএ কার্যালয়ের আশপাশে সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকে একাধিক দালাল। সরাসরি আবেদন নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানি করা হলেও, দালালের মাধ্যমে গেলে একই কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়। এতে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, “গাজীপুর বিআরটিএতে এখন ঘুষ ছাড়া কাজ করানো অত্যন্ত কঠিন। টাকা দিলে কাজ দ্রুত হয়, আর নিয়ম মেনে আবেদন করলে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। আমরা এই অনিয়মের অবসান চাই।অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য,এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এস এম মাহফুজুর রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।তদন্তের দাবি,গাজীপুর বিআরটিএকে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা