
বরিশাল ব্যুরো প্রধান:
নোংরা রাজনীতি করে বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে রামরাজত্ব কায়েম করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে আল-আমীন খা সহ লিটন খা,রাকিব খান,আসাদ খা আকাশ শেখ ও শাকিব হাওলাদারদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে বিগত সময়ে চাঁদাবাজির পাশাপাশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা রয়েছে। গত রোববার এ চক্রের প্রধান আওয়ামী লীগের নেতা মিজান মুন্সির ইশারায় বিগত সময়ে গুয়ারেখা ইউনিয়নের মধ্যে চাঁদকাঠী – বরতকাঠী এলাকায় রামরাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। বর্তমান সময়েও দারুণ বেপরোয়া স্বভাবের হয়ে উঠছে এ চক্রের সদস্যর। স্থানীয় বিএনপিরর একজন শীর্ষ নেতাদের সাথে সম্পৃক্ত থাকার বদৌলতে আবারও বেপরোয়া এ চক্রের সদস্যরা।আর সেই সূত্র ধরেই গতকাল রবিবার বিকেলে হঠাৎ পিরোজপুর থেকে চাঁদকাঠী নুতন ব্রিজের নুতন রাস্তার মাঝখানে আসামাত্রই ফোরকান শেখ ও হিরন শেখকে পিছন থেকে মারধর শুরু করেন। এ চক্রের সদস্য আল আমিন সহ লিটন খা, রাকিব খান, আসাদ খা,আকাশ শেখ ও শাকিব হাওলাদাররা কোনকিছুর আচ করার আগেই এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ফোরকান শেখ ও হিরন শেখের সঙ্গে থাকা মোবাইল ও নগদ অর্থ নিয়ে যায়। এলাকার লোকজন গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে দেয় ফোরকান শেখ ও হিরন শেখকে। এলাকার লোকজন অবস্থা বেগতিক দেখে মুহুর্তের মধ্যে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার এবং এলাকার বাসিন্দারা গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, এ চক্রের সদস্য আল আমিন খা সহ লিটন খা, রাকিব খান, আসাদ খা, আকাশ শেখ ও শাকিব হাওলাদাররা চাঁদাদাবি করে চাঁদ কাঠী ব্রীজের প্রধান ঠিকাদারদের কাছে। চাদা দিতে অস্বীকার করার কারনে এ চক্রের সদস্যরা একজনের মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে ৯৯৯ কল দেওয়ার পর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ইনচার্জ ঘটনা স্থলে যান এবং সত্যতা নিশ্চিত করেন। যদিও মামলা হয়নি কিন্তু অংকের টাকা দিয়ে চিকিৎসা চলছে। অবশ্য সুস্থ হওয়ার পর সিদ্ধান্ত হবে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের। এছাড়াও আওয়ামী লীগের এ চক্রের সদস্যরা মৃত হাই শেখের ছেলে শাহীন শেখকে নেশা খাইয়ে মেরে ফেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে। মামলা দায়ের হলেও পরবর্তীতে মোটা অংকের বিনিময়ে আপোষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও বাদী পরিবার মানতে নারাজ। এদিকে চাঁদ কাঠী এলাকায় তুরুপের ত্রাস আওয়ামী লীগের এ চক্রের সদস্যরা আবারও রহমানের ছেলে মোঃ রিয়াদ( ২৪) কে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তুলকালাম ঘটনার জন্ম দেয়। এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করে রিয়াদকে।বর্তমান সময়ে মামলার পরিবর্তে শান্তির পক্ষে আপোষ হয়। যদিও এ চক্রের সদস্যরা এলাকায় রামরাজত্ব কায়েম করে বিগত সময়ে চরম বিতর্কিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছিল। বর্তমান সময়ে আবারও বেপরোয়া হয়েছে। এ চক্রের সদস্যরা গতকালই ফোরকান শেখ ও হিরন শেখকে অমানবিক কায়দায় মারধরের গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। গ্রামের বাসিন্দারা ভয়ে কোন ধরনের টুটা শব্দ করতে সাহস পাচ্ছে না।গ্রামের মধ্যে চাঁদাবাজি সহ সকল অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। জায়গা জামির বিরোধ নিয়ে লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কনট্যাক্ট করে বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে একক রামরাজত্ব কায়েম করতে সক্ষম ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। অবশ্য উপজেলা বিএনপির একজন নেতার ইশারায় আবারও লাইম লইটে আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনীরা। অভিযোগ উঠেছে এ চক্রের প্রধান শক্তি আওয়ামী লীগের সভাপতির চাচাত ভাই মিজান মুন্সি। পাশাপাশি এচক্রের সদস্যরা সরাসরি সাবেক চেয়ারম্যান শুভ্রত ঠাকুরের আর্শীবাদ পুষ্ট লোকজন। গ্রামের মধ্যে চাঁদাবাজি সহ সকল অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত আল আমিন খা সহ লিটন খা গংরা।
এব্যাপারে কথা হয় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে। গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন আমার ভাইরা বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে। অমানবিক কায়দায় মারধরের গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ তুলে ধরলেন। বর্তমানে আমরা নেছারাবাদ থানায় জিডি করতে আসছি। সমাজের মধ্যে এজাতীয় কুলাঙ্গার ও সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যদের কঠিন শাস্তি হোক। এদিকে সরেজমিনে যাওয়া জেলার ও বিভাগের বেশ কয়েকজন গণ মাধ্যম কর্মীরা আল আমিন খা সহ লিটন খা, রাকিব খান, আসাদ খা, আকাশ শেখ ও শাকিব হাওলাদারদের বাসায় যান সঠিক তথ্য উদঘাটন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে। প্রতি পরিবার কৌশল অবলম্বন করে সাংবাদিকদের সকল প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যায়। সর্বশেষ নেছারাবাদ থানার ডিউটি অফিসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ভুক্তভোগী পরিবার আমাদের কাছে প্রাথমিক ভাবে লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তী সময়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার আওতায় আনার আশ্বাস দেয়। নেছারাবাদ থানায়র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, প্রৃত অপরাধীর কঠিন শাস্তি হোক।
Leave a Reply