বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
Title :
নাগেশ্বরীর নাওডাঙ্গা বিলের উপর ব্রিজটির বেহাল দশা, দেখার যেন কেউ নাই ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজীব আহমেদ রানার তীব্র প্রতিবাদ নববর্ষের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় বার্তা—“জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবেই” আশুলিয়া থেকে ডাকাতি হওয়া বিপুল পরিমান চাল ও ট্রাক উদ্ধার সহ গ্রেফতার (০১) এক। বিআরটিএতে দুর্নীতির ছক উন্মোচন: আলোচনায় দুই কর্মকর্তা রুহুল আমীন ও সালে আহমেদ উজিরপুরে নিষিদ্ধ ‘শাপলা পাতা’ মাছ বিক্রি গৌরনদীতে প্রকাশ্যে পরিবেশ দূষণ, দেখার যেন কেউ নেই বানারীপাড়ায় নদীতে ভাসছিলো স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ ছিনতাইকারীদের কবলে বিক্রয় প্রতিনিধি, সর্বস্ব লুট পুলিশ থেকে বাঁচতে ইয়াবা গিলে অচেতন মাদক কারবারি

ঝালকাঠিতে সন্তানের মরদেহ নিয়ে জন্মদাতার বিরুদ্ধে মানবন্ধনে বিচার চাইলেন মা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২০ Time View

রাহাদ সুমন,বরিশাল:

ঝালকাঠিতে সন্তানের মরদেহ নিয়ে জন্মদাতার বিরুদ্ধে মানবন্ধনে বিচার চাইলেন মা লিয়া মনি। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাউতিতা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। লিয়ামনি জানায়, প্রেমিক হৃদয় বেপারীর জন্য তার ১৩ মাসের কন্যা শিশু জেসমিনের মৃত্যু হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। ২০২১ সালে একই এলাকার হৃদয় বেপারীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে বিয়ের আশ্বাসে তার সঙ্গে অবৈধভাবে মেলামেশা করলে এক পর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হন। ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জেসমিনের জন্ম হয়। এ সময় হৃদয় বেপারীর মামা রফিক হাওলাদার ও নানা মান্নান হাওলাদারও সঙ্গে ছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।

পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি হাপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে নবজাত শিশু নিয়ে পালিয়ে যান হৃদয় ও তার স্বজনরা। পরে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তারা। সেখান থেকে এক ভিক্ষুক উদ্ধার করে চাইল্ড হোমে পাঠান নবজাতক শিশু জেসমিনকে। সেখানেই বেড়ে ওঠে ওই নবজাতক শিশু। ঘটনার তিন মাস পরে খবর পেয়ে লিয়া মনির পরিবার ওই শিশুকে আনার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। ডিএনএ পরিক্ষাসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে এ বছরের ৯ মার্চ ওই শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে আসেন। পরে শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে শিশু জেসমিন মারা যায়।
ধর্ষণের অভিযোগ এনে লিয়ামনি বাদী হয়ে হৃদয় সহ তিনজনের বিরুদ্ধে গত ৯ মার্চ ঝালকাঠি থানায় মামলা করেন। অভিযুক্ত হৃদয় বেপারী পলাতক রয়েছেন।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামি পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
dailydhakaralo