
সুমন খান:
প্রাচীন কালে পুলিশের সৃষ্টি হয়ে ছিলো খাজনা আদায়ের জন্য। যার কারনে প্রাচীন কালে পুলিশ মানুষের ঘাড় ধরে সরকারের খাজনা আদায় করে দিত জনগনের কাছ থেকে। সময়ের পরিক্রমায় সেই পুলিশ আস্তে আস্তে হলেও যথেষ্ট জনবান্ধন পুলিশে পরিণত হয়েছে। জনসেবায় পুলিশের মনোজগতেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী, আড্ডাবাজ ও মানবিক ছেলে-মেয়েগুলো দলেদলে এই বাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন। সুতরাং পুলিশে গুণগত পরিবর্তন এখন সাদাচোখেও দৃশ্যমান, যদিও যথেষ্ট ব্যতিক্রম রয়েছে এবং ব্যতিক্রম সবসময় উদাহরণও নয়।
আজ আপনি ৯৯৯ এ ফ্রি ডায়াল করলেই পুলিশ আপনার দরজায় গিয়ে হাজির হচ্ছে। আপনি গহীন অরণ্য বা মাঝ নদীতে কোনো সমস্যায় পড়ে জাস্ট একটা কল করলেই আপনার পাশে পৌঁছে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। করোনাকালে পুলিশ তার ইতিহাসের সেরা মানবিক ও সাহসী গল্প রচনা করেন।
অফিসার ইনচার্জ দীর্ঘদিন ধরে পল্লবী থানার বর্তমান সময়ে আইন-শৃঙ্খলার নানাভাবে অনিয়ম থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু মানবতা আজও জীবিত রয়েছে। যার ফলে মানুষ এখনো নিজেকে কিছুটা স্বাধীন চেতনা নিয়ে কাজ করার মত সুযোগ পেয়ে থাকে তাদেরই মাঝে। একজন রাজবাড়ীর গৌরব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সকলের নয়ন মনি, এবং শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন তার মেধা যোগ্যতা এবং কর্তব্য পরায়ণতা দিয়ে তিনি আর কেউ না মিরপুর পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম তিনি একান্ত সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদেরকে জানান, পুলিশ জনগনের সেবক এবং সেই ধারাবাহিকতায় আমি কাজ করে যাচ্ছি। দেশের জন্য, মানুষের জন্য, জনগণের জন্য সমাজের জন্য, এবং পরিবেশের,জন্য এমন কিছু করতে চাই যাতে মানুষ আমাকে স্বর্ণাক্ষরে মনে রাখবে। এছাড়া
ডিএমপির পল্লবী , যশোর থানায় সতাতা দিয়েই দ্বায়িত্ব পালন করে
আসছিলাম। বর্তমানে পল্লবী থানায় আসার পর জনগনকে নিরাপত্তা দেওয়াসহ সাধারন মানুষকে সেবা দেওয়া চেষ্টা করেছি।যার কারনে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, দুর্নীতিবাজ, ভূমিদস্যুতা, মাদক ব্যবসায়ী, জুয়ারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি।
অন্যদিকে অসাধু ব্যবসায়ী, সহ সকল প্রকার অনৈতিক কার্মকান্ডের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করে মিরপুর পল্লবী একটি সুন্দর পরিবেশ উপহার দেওয়ার আপ্রান চেষ্ট চালাচ্ছি। আছাড়া স্বাধীন দেশে সকলে যেভাবে উন্মক্ত চলাফেরা করতে পারে সেদিকে পুলিশ বাহিনী খেয়াল রাখছে। তাছাড়া আমাদের পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় আমরা কাজ করে যাচিছ। সন্ত্রাসী ও মাদকদ্দ ব্যবসায়ীদের উপর আমি জিরো টলারেট ঘোষণা করেছি, এরা যতবড় শক্তিশালী ।
-পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা,জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
উপদেষ্টা বলেন, পুলিশ সদস্যদের ব্যবহার, সেবার মানসিকতা ও আন্তরিকতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে হবে। এর মাধ্যমে পুলিশের প্রতি জনগণের দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন কোনো রকম হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার না হয়- সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারো কাছ থেকে কোনো বিশেষ সুবিধা নেয়া যাবে না। ঘুষ, দুর্নীতি থেকে নিজেদের দূরে রাখতে হবে।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিরপুর জোনের আওতাধীন পল্লবী থানায় ডাইনামিক ও মানবিক অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম।ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী, এনডিসি বলেছেন, আমলযোগ্য অপরাধের ঘটনায় অবশ্যই মামলা নিতে হবে। কোন ঘটনা আড়াল করা যাবে না। মামলার রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
।যোগদানের মাত্র ৯ মাসেই থানার সেবামূলক বিষয়গুলো করেছেন ত্বরান্বিত,এনেছেন গতি।এখন পুলিশ টহল দিনরাত সব সময় দেখা যায়। কিশোর গ্যাং আড্ডার জায়গাগুলো এখন পুলিশের নজরদারির মধ্যে আছে,ছিনতাই মিরপুর পল্লবী এলাকায় নাই বললেই চলে ।দৌরাত্ব কমেছে ছিনতাইকারী, মাদকব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের। পল্লবী থানা এলাকার বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনকল্যান মুখি পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসি নজরুল ইসলাম বলেন,
আমরা দেশের জন্য হাতিয়ার হিসেবে দেশ ও দেশের জনগণের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে যে কোনো প্রতিকুলতার মোকাবেলা করে জনগণের মুখে হাসি ফোঁটানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।যেমন এখন সামাজিক উন্নয়নে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে, কিশোর গ্যাং এর উৎপাত, মাদক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মারামারি, রাহাজানি,চুরি ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ পল্লবী থানা এলাকায় অনেকটাই কমে গেছে।আমার কাছে কোনো দুষ্কৃতীকারীদের ছাড় নাই,সে ক্ষেত্রে আমি যে কোনো প্রতিকুলতার মোকাবেলা করে রাজধানীর মিরপুর পল্লবী বাসীদের নিশ্চিন্তে বসবাস করার অভয় দিচ্ছি ।
ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণকে পুরস্কৃত করেছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী, এনডিসি। (১৮ মার্চ ২০২৫ খ্রি.) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়াম, রাজারবাগে ফেব্রুয়ারি মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার।
ফেব্রুয়ারি-২০২৫ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ থানা হয়েছে পল্লবী থানা অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম।
Leave a Reply