
বিশেষ প্রতিবেদক:
মিথ্যা ও হয়রানি মামলায় বিপাকে পড়েছেন যশোর সদর উপজেলার এক শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের লোকজন। স্রেফ ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিলে এই মামলায় ঔ শিক্ষার্থী কে আসামি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউপির মৃত কাসেম বিশ্বাসের ছেলে একেএম আকরাম হোসেন কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন যার নম্বর ৫৪/৯৬১। জি আর ৯৬১/২৪।
মামলায় ঘটনার তারিখ ১৮ নভেম্বর বলা হয়েছে। এই মামলার ২৯ নম্বর আসামি মুন্না। এই মুন্না সদর উপজেলার কামালপুরের বাসিন্দা নয়নের ছেলে। মুন্না যশোর সরকারি সিটি কলেজের ডিগ্রী ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।
জানা গেছে, মুন্না লিভার, কাশিসহ নানান শারীরিক সমস্যায় রুগী। এখন কারাগারের কথা শুনে সে কেঁদে ভাষাচ্ছে। কেননা সে কখনো জেল খাটেনি। এসব নিয়ে তার মা বাবাও বেজায় চিন্তিত। কেন তাকে আসামি করা হয়েছে তার সদুত্তর এই পরিবারের সদস্যদের কাছে নেই।
জানা গেছে, ঐ নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখের পরীক্ষা শেষ করে মুন্না বাড়িতে ছিল। ঘটনা সম্পর্কে সে কিছুই জানতো না। সে কোন রাজনৈতিক দলের সদস্যও নন। ঐ মিছিলের স্টিল বা ভিডিও ফুটেজেও সে নেই, তাহলে কেন তাকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে তা কারো বোধগম্য হচ্ছে না।
স্থানীয়রা জানান, মুন্নার পিতা নয়ন খান কুয়াদা প্রেস ক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি দৈনিক যশোর পত্রিকার কুয়াদা প্রতিনিধি। তিনি ঝুট ঝামেলার মধ্যে থাকেন না। মুন্নাও কখনো কারো সাথে বিবাদে জড়ায়নি।
মুন্না বেতনভুক্ত হিসাবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মচারি ছিল। এই মামলার বাদীর সাথে ঐ প্রতিষ্ঠানটির কোন ঝামেলা থাকতেও পারে, এটাই হতে পারে মামলার কারণ। মামলার বাদি নিজেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের জেলা শাখার সদস্য দাবি করেছেন।
তাছাড়া যে মিছিল ঘিরে এত উত্তেজনা সেই মিছিলে মুন্না কে কেউ দেখেনি। মাত্র ১০/১২ জন মানুষকে মিছিল করতে দেখা যায়। এর স্টিল ও ভিডিও ফুটেজ আদালতে জমা রয়েছে। এটি আসামি পক্ষ দিয়েছে কেননা আসামীদের দাবি বোমা বিস্ফোরণ, লুন্ঠন, নাশকতা, অস্ত্রবাজির কোন ঘটনা ঘটেনি।
Leave a Reply