
রাহাদ সুমন বিশেষ প্রতিনিধি:
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনের পরবর্তী সময় রাজনীতিবিদদের ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম নির্যাতন -নিপীড়ন। দেশের সংবাদিকরাও তা থেকে রেহাই পায়নি। সারাদেশের ৫ শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়েবী হত্যা মামলা, অর্ধশত সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৬৮ পেশাদার সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল, জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শতাধিক সাংবাদিকের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ বাতিল/স্থগিত করা হয়।এমনি অবস্থার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক নির্যাতন-নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট’ গঠন করা হয়। গতকাল সোমবার রাত আটটায় রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের এক সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে এই নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সভার সিদ্ধান্তক্রমে আকতার হোসেনকে আহ্বায়ক ও শেখ জামালকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। সভায় অবিলম্বে কারাবন্দির সাংবাদিকদের মুক্তি, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়। নবগঠিত কমিটির অন্যরা হলেন যুগ্ম আহবায়ক ,আশরাফুল ইসলামও জাকির হোসেন ইমন, সদস্যরা হলেন অমিয় ঘটক পুলক, খায়রুল আলম, কে এম শহীদুল, হক সোহেলী চৌধুরী, আসাদুর রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী, সাজেদা হক, ইকরামুল কবীর টিপু,এ কে এম ওবায়দুর রহমান,সাজেদা পারভীন, শামীমা আক্তার, প্রদীপ কুমার চৌধুরী, সাবিরা ইসলাম, হামিদ মোহাম্মদ জসিম, এস এম সাইফ আলী, জুবায়ের রহমান চৌধুরী, রাগীবুল রেজা, মোহাম্মদ নাঈমুদ্দিন, রেজাউল কারীম, রেজাউল করিম রেজা, রফিকুল ইসলাম সুজন, আবুল হোসেন, কাজী মোবারক হোসেন, শহীদ রানা, শেখ কলিমুল্লাহ নয়ন,ওয়ারেসুন্নবী খন্দকার, ইকবাল জাফর, রমজান আলী, জাহাঙ্গীর খান বাবু, রফিকুল ইসলাম রফিক,শফিকুল ইসলাম, গাজী তুষার আহমেদ, রহিমা খানম, মাজেদুল ইসলাম পাপেল, মুক্তা মনোয়ার, রফিকুল ইসলাম পিন্টু, বিউটি রানী, হাসনাত শাহিন, কামরুল ইসলাম, ইমরানুল আজিম চৌধুরী, ইসরাফিল শাহিন, এস এম কামরুজ্জামান সাগর, রুবেল হাসান, নাসিরুদ্দিন চৌধুরী, নাঈমুর রহমান স্বপন, ইসরাফিল হাওলাদার, হাসান আহমেদ,মো: শফিউর রহমান প্রমূখ।
Leave a Reply