বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
Title :
মেলেনি প্যারোলে মুক্তি, ছাত্রলীগ নেতা শাহরুখের সাথে জেলগেটে দেখা করতে গেলো মৃত বাবা বানারীপাড়ায় রাজুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের অভিযোগ, হামলার শিকার বাবা ছেলে। উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি: যুবককে এক বছরের কারাদন্ড নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের কমিটি গঠন নারায়ণগঞ্জের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামি ইউসুফ (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ কালিয়াকৈর পৌর সভা নির্বাচনে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র পদপ্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ, প্রকৃত তথ্য প্রকাশের দাবি মিরপুরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ: শাহ আলী থানার ওপেন হাউজে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বরিশালে এবার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অর্থ কেলেংকারি ফাঁস! শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রাজধানীর উত্তরায় মদের বারে নারী পুরুষসহ আটক ১৪০ জন

মিরপুর বিআরটিএতে দালাল রাজত্ব: জাকারিয়ার ছত্রছায়ায় মিরাজ–মফিজের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৮ Time View

সুমন খান:

সরকার যেখানে বিআরটিএকে দালালমুক্ত ও ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে রাজধানীর মিরপুর বিআরটিএ অফিসে ঠিক উল্টো চিত্র উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাকারিয়ার ছত্রছায়ায় মিরাজ ও মফিজ নামের দুই দালালকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী ঘুষ বাণিজ্য সিন্ডিকেট।অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মিরপুর বিআরটিএ অফিসে লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করলেও কাজ আটকে রাখা হয়। এরপর দালালদের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বাধ্য করা হয় সেবা প্রত্যাশীদের।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ করে বলেন ,দালাল মিরাজ ও মফিজ নিয়মিত অফিস চত্বরে অবস্থান করে এবং “কাজ করিয়ে দেওয়ার” নিশ্চয়তা দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে। এই টাকা লেনদেনের পেছনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করা হয় বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।একজন সেবা গ্রহীতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমি রংপুর থেকে এসেছি আমার নাম সোহেল আমার কাছে সরকারি ফির সেও আমার কাছে ১০ হাজার টাকা বেশি চেয়েছি এই মফিজ ও মিরাজ আমি দিতে না হওয়ার কারণে আমার কাজটি আটকে রাখে বলে এখন দেওয়া যাবে না আমার স্যার জাকারিয়া লাঞ্চে গেছে কিংবা পরে আসবে হিসাব অজুহাত দেখিয়ে এই মফিজ আর দালাল মিরাজ একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছে। এই অপকর্মের মূল নায়ক জাকারিয়া।কাউন্টার থেকে সরাসরি বলা হয় দালালের মাধ্যমে কথা বলেন। টাকা না দিলে ফাইল নড়ে না।প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকর্তার ভূমিকা অভিযোগ অনুযায়ী, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাকারিয়া দালালদের অবাধ চলাচলে কোনো বাধা দেন না। বরং নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমেই কাজ এগোচ্ছে এমন ধারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। কোনো সরকারি কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে যদি দালালরা নিয়মিত ঘুষ আদায় করে, তাহলে সেটি নিছক গুজব নয়—গভীর তদন্তের বিষয়।দালাল নির্ভর সেবার ভয়াবহ পরিণতি সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি রাজস্ব ক্ষুণ্ন সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি ও দুর্ভোগ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ সুশাসন বিশ্লেষকদের মতে, বিআরটিএর মতো স্পর্শকাতর দপ্তরে দুর্নীতি মানেই সরাসরি রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার ওপর আঘাত।সরকারের প্রতি জোরালো দাবি এই ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিআরটিএ সদর দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দালাল উচ্ছেদ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে।বিআরটিএকে দালালমুক্ত করার ঘোষণা যদি কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরবে না। দালাল মিরাজ ও মফিজ: প্রকাশ্য অথচ অদৃশ্য ক্ষমতা অভিযোগ রয়েছে, মিরাজ ও মফিজ নিয়মিত বিআরটিএ অফিস চত্বরে অবাধে চলাফেরা করে। তারা প্রকাশ্যেই বলে বেড়ায় জাকারিয়া স্যার দেখবেন।এই নাম ব্যবহার করেই সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ।প্রশ্ন উঠেছে দালালরা কীভাবে দিনের পর দিন অফিসে অবাধে থাকে?কার আশ্রয়ে তারা এত প্রভাবশালী? ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কি সত্যিই কিছু জানে না?অভিযোগের ঊর্ধ্বে উঠে সত্য উদঘাটনে কঠোর তদন্তই পারে প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
dailydhakaralo