• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
Headline
জনজাগরণ পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক ও মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন জন্মদিন পালিত বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বরগুনার সেই মিন্নি কীর্তনখোলা নদীতে নৌ-তরী ‘কুইন অফ উলানিয়া’ উদ্বোধণ আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ ছেলেকে বিমানে উঠিয়ে দিয়ে স্টোক করে বাবার মৃত্যু বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মুন্না আটক বরিশালে ছয়লেন মহাসড়কের দাবিতে তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন মায়ের জানাজা-দাফনে আসতে না পারার অন্তহীন যন্ত্রনা আমৃত্যু বয়ে বেড়াবেন সাংবাদিক সেলিম হাসান কেরানীগঞ্জে “আহাদ” প্রোডাক্ট প্রসাধনী কারখানায় অনিয়মের অভিযোগ। টয়লেটের পাশে কাঁচামাল, নেই বৈধতার প্রমাণ বরিশালে ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বরগুনার সেই মিন্নি

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো:

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পূর্ণ হলো আজ (২৬ জুন)। ২০১৯ সালের এই দিনে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির উপস্থিতিতে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রিফাতকে।
দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই মামলায় পরবর্তীতে মিন্নিসহ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বর্তমানে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি রয়েছেন মিন্নি।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে মিন্নি কনডেম সেলে অধিকাংশ সময় বেশ নিরিবিলি থাকেন। নিয়মিত নামাজ আদায় ও ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটে। কারাগারের অন্য বন্দি বা কারারক্ষীদের সঙ্গে তিনি খুব একটা কথা বলেন না। কেবল নির্দিষ্ট নিয়মে বাবা-মা বা নিকটাত্মীয়রা সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন। কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, কারাগারে তার আচরণ স্বাভাবিক এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের রেকর্ড নেই।

কনডেম সেলে কেমন আছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সেই মিন্নি:

মামলা ও কারাসূত্র জানায়, সাজা ঘোষণার পর মিন্নিকে প্রথমে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে রাখা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া ও পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
আদালতের নথি ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় রিফাত শরীফের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় স্থানীয় গ্যাং ‘বন্ড বাহিনী’র সদস্যরা। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনার জন্ম দেয়।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা সদর থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সম্পৃক্ততার দাবি করা হয়। ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর মিন্নিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক- দুই ভাগে মামলার বিচার চলে। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মামলায় আদালত মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং চারজনকে খালাস দেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
মামলার শুরু থেকেই মিন্নির পরিবার দাবি করে আসছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তদন্তের সময় প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একজন সাক্ষীকে আসামিতে পরিণত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা