• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
Headline
চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের নির্দেশনায় মাঠে ভিজিল্যান্স টিম, যাত্রী নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি পবিত্র ঈদুল আজহা তোরা ভোগের পাত্র ফেলরে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ….সোহেল সানি ঈদুল আযহায় সম্প্রীতি, ত্যাগ ও মানবতার বার্তা দিলেন মুজাহিদুল হক মুরাদ সিকদার ঈদুল আযহায় ত্যাগ ও মানবতার আহ্বান জানালেন যুবদল নেতা বাবুল মোল্লা ঈদুল আযহা উপলক্ষে স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুনির হোসেনের শুভেচ্ছা বানারীপাড়ায় কোরবানির আগের দিন দুঃসংবাদ পেলেন বিএনপি নেতা ছাতকে-দোয়ারাবাজার সীমান্তে দিয়ে রাতভর ঢুকছে ভারতীয় গরু মহিষ। ক্ষতিগ্রস্থ খামারিরা নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করলেন নতুনধারার শান্তা ফারজানা রামিসাসহ সকল ধর্ষণ-খুন ও হামের টিকা সংকটে মৃত্যুর বিচারের দাবিতে কাফন মিছিল ও সমাবেশ হিজলায় নৌকাডুবি,বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ

চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের নির্দেশনায় মাঠে ভিজিল্যান্স টিম, যাত্রী নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি

সুমন খান / ২৮ Time View
Update : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আযহার দীর্ঘ ছুটি শেষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষের কর্মস্থলে ফেরার যাত্রা নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, বেপরোয়া ওভারটেকিং প্রতিরোধ এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে দেশব্যাপী নজরদারি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।বিআরটিএ চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং ঢাকা বিভাগের পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঁইয়ার তত্ত্বাবধানে রাজধানীর সায়েদাবাদ, গাবতলী, মহাখালীসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে বিশেষ নিরাপত্তা ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদ-পরবর্তী সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকায় পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দূরপাল্লার বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের নিরাপদ যানবাহন পরিচালনার বিষয়ে বিশেষ ব্রিফিং দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদেরও ট্রাফিক আইন মেনে চলা, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার এবং নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হচ্ছে।মিরপুর-১৩ বিআরটিএ কার্যালয়ের আওতাধীন মেট্রো-১ সার্কেলের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শফিকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন,যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়মের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না।বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, ঈদ-পরবর্তী সড়ক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সারাদেশে একযোগে ৬১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব মোবাইল কোর্ট ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, লাইসেন্সবিহীন চালক এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।এদিকে বিআরটিএর কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম সার্বক্ষণিকভাবে দেশের সড়ক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যাত্রীদের অভিযোগ, অনিয়ম কিংবা, দুর্ঘটনা জনিত তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশেষ মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা মহানগরের চারটি প্রধান বাস টার্মিনাল ছাড়াও দেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বিআরটিএ, পরিবহন মালিক সমিতি এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম দায়িত্ব পালন করছে। এসব টিম যানবাহনের ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স, রুট পারমিট, যাত্রীসেবা এবং ট্রাফিক আইন প্রতিপালনের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে তদারকি করছে।শুধু আইন প্রয়োগ নয়, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিআরটিএর প্রতিটি সার্কেল থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাস টার্মিনাল এবং জনবহুল এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বাস ছাড়ার আগে চালকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে নিরাপদ গতিসীমা বজায় রাখা, ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি না চালানো এবং যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ-পরবর্তী সময়ে সড়কে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে বিআরটিএ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সমন্বিত উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।সচেতন নাগরিকরাও মনে করছেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেবল অভিযান পরিচালনা নয়, নিয়মিত মনিটরিং, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং আইন প্রয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। তাহলেই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দুর্ঘটনার হাত থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।ঈদ-পরবর্তী ব্যস্ত সময়ে যাত্রী নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিআরটিএর এই বহুমুখী কার্যক্রম ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদ-পরবর্তী যাত্রা হবে আরও নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক এবং দুর্ঘটনামুক্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা