• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
বরিশালে পুলিশি অভিযানে পালাতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু আমেরিকায় ট্রাক চাঁপায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ী নিহত বানারীপাড়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেটে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ: থানায় জিডি মিরপুরে ২৪ শতাংশ জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব:অবৈধ দখল ও মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের অভিযোগে প্রতিবাদ মিরপুরের খাল ফিরছে প্রাণে? মুসলিম বাজার খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ও ডিএনসিসি প্রশাসক মিরপুর বিআরটিএ’ তে অভিযান দুই ব্যক্তির কারাদণ্ড নিরাপদ মিরপুর গড়ার স্বীকৃতি, ডিএমপির সেরা বিভাগের সম্মাননা…ওসি হাফিজুর রহমান আমার পুলিশ, আমার দেশ সবার আগে বাংলাদেশ” মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্পে স্বাস্থ্যসেবায় মানবিক পুলিশিংয়ের অনন্য দৃষ্টান্ত উত্তরার বিডিআর মার্কেটের পার্কিং স্থান নিয়ে বিরোধ: পুরো মার্কেটকে ঘিরে আদালতে তিন মামলা, উত্তেজনা বৃদ্ধি বরিশালে ভিডব্লিউবি কার্ডধারীরা পেলেন ৩০ কেজি চাল

বানারীপাড়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেটে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ: থানায় জিডি

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

রাহাদ সুমন
,বরিশাল প্রতিবেদক:

বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান। এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন। বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন। এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়। এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে

অনেক আগেই তার বেতন-ভাতা বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। বিষয়টি জেনে তখন বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সিন্ধান্ত নিয়েছি। এখন তার বিষয়ে মন্ত্রনালয়ের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা