• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
Headline
মালিকানা বদলিতে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য, নীরব প্রশাসন — অভিযোগ কাউসার আলমের বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ডের টাকায় নারীর ক্ষমতায়ন তৈরি হবে : তথ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে জরার্জীন ভবনে এতিম ও দুঃস্থ শিশুদের বসবাস ইউনূস, নূরজাহান, নাহিদ গং শিশুদের ঘাতক ……নতুনধারা বানারীপাড়ায় ৫২ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ভ্যানচালক মঞ্জু হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মামুন বিএম কলেজে প্রথমবারের মতো চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্বোধণ টঙ্গীতে হোটেল ঘিরে বিস্ফোরণ আতঙ্ক, মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ক্ষোভ ক্রেতা সংকটে ১৪শ’ কেজির ‘বাদশা’

মালিকানা বদলিতে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য, নীরব প্রশাসন — অভিযোগ কাউসার আলমের বিরুদ্ধে

Reporter Name / ২২ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

সুমন খান:

রাজধানীর দিয়াবাড়িস্থ উত্তরা মেট্রো-৩ বিআরটিএ অফিসকে ঘিরে আবারও উঠেছে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ। বিশেষ করে মোটরসাইকেল মালিকানা বদলি শাখায় দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাপ্রার্থীরা। তাদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করেও কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। অথচ অতিরিক্ত টাকা দিলেই খুব সহজে ও দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যায় সব কার্যক্রম।
অভিযোগ রয়েছে, মোটর যান পরিদর্শক কাউসার আলমের দায়িত্বাধীন এই শাখায় দালালদের প্রভাব এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ মানুষ সরাসরি সেবা নিতে গিয়ে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অফিসের আশপাশে ঘুরে বেড়ানো একাধিক দালাল প্রকাশ্যেই সেবাপ্রার্থীদের কাছে গিয়ে ,দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার, প্রস্তাব দেন। তাদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিলে অল্প সময়েই ফাইল অনুমোদন, কাগজ যাচাই ও মালিকানা বদলির কাজ সম্পন্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। কখনও স্বাক্ষরের অজুহাত, কখনও সার্ভারের সমস্যা, আবার কখনও কাগজে সামান্য ত্রুটি দেখিয়ে দিনের পর দিন ঘুরানো হয়। কিন্তু দালালের মাধ্যমে গেলে সেই একই কাজ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায়। এতে করে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।একাধিক মোটরসাইকেল মালিক অভিযোগ করেন, অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এত বড় দালাল সিন্ডিকেট পরিচালনা সম্ভব নয়। তাদের দাবি, অফিসের ভেতরে ও বাইরে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বরং অভিযোগ রয়েছে, দালালদের মাধ্যমেই অনেক কাজ পরিচালিত হচ্ছে এবং এই অবৈধ অর্থ বাণিজ্য থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র লাভবান হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মালিকানা বদলি, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস ও অন্যান্য সেবা ঘিরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতবদল হচ্ছে। সাধারণ মানুষ নিরুপায় হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দ্রুত সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, সরকারি অফিসে গিয়েও তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না; বরং দালাল ছাড়া যেন কোনো কাজই এগোয় না।সচেতন মহল বলছে, বিআরটিএ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও সেখানে যদি প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য ও দালালচক্র সক্রিয় থাকে, তাহলে জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয়দের মতে, বিআরটিএ অফিসে সিসিটিভি নজরদারি জোরদার, অনলাইন কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ করা এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত না করলে এসব অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তারা।এ বিষয়ে মোটর যান পরিদর্শক কাউসার আলমের সাথে , দেখা করতে গেলেই বিষয় একটু জানতে চাইলেই সেই বিভিন্ন ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করে। এক পর্যায় তার বিরুদ্ধে কিছু তথ্য এবং ডকুমেন্ট ,দেখানো হলে সে বিভিন্ন দালাল চক্র নিয়ে হেনস্তার করার চেষ্টাও পায়তারা চালায়।বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

(পর্ব ১) দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসছি বিস্তারিত রোখ রাখুন….?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা