বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুন্সি বজলুল বাছিদ আঞ্জুকে ঘিরে দলীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার অবকাশ তৈরি হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে ঢাকা মহানগর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও প্রতিকূল পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।মুন্সি বজলুল বাছিদ আঞ্জু ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ অনার্স (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) ও এলএলবি। তিনি রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন।
ছাত্রদল থেকে মহানগর বিএনপি,দলীয় জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে তাঁর জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা রয়েছে।দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।২১৭ মামলার দাবি, পাঁচবার কারাবরণ,মুন্সি বজলুল বাছিদ আঞ্জুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে ২১৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একই সময়ে তিনি পাঁচবার কারাবরণ করেন এবং পাঁচ বছরের সাজা ভোগের কথাও উল্লেখ করেছেন।তবে মামলাগুলোর সংখ্যা, প্রকৃতি, আদালতের রায় এবং সাজার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আদালতের আদেশ পর্যালোচনা করা গেলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে আইনি জটিলতার প্রভাব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে আগ্রহ,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে মুন্সি বজলুল বাছিদ আঞ্জুর ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে আগ্রহ থাকতে পারে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে। তবে তাঁকে ঘিরে নতুন কোনো দায়িত্ব, পদ বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলে তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষণে তাঁর অতীতের দায়িত্ব, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, জনপ্রতিনিধি হিসেবে কর্মকাণ্ড এবং দলের বর্তমান সাংগঠনিক বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কে দলীয় নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে আরও পূর্ণাঙ্গ চিত্র উঠে আসবে।সব মিলিয়ে, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে ঢাকা মহানগর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যপদ,মুন্সি বজলুল বাছিদ আঞ্জুর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায় তাঁকে দলীয় আলোচনায় মূল্যায়নের একটি প্রাসঙ্গিক বিষয় করে তুলেছে।