• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল পত্রিকা: 'হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ' ৯৯% প্রকল্প সময়মতো হস্তান্তর করেছে শেলটেক দুই মাসের জন্য রাস্তা খনন, বছরজুড়ে পরিখা—আর কত? এই শতাব্দীতে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ১৭টি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি বার্গার, পিজ্জা বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে আমাদের এত ভালো লাগে কেন চকবাজারে আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের উপাচার্য এক গিটারেই সিডনির শ্রোতাদের মন জয় করলেন নন্দিতা–শুভেন্দু

ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের বাজারে পণ্য রপ্তানিতে স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ ও অশুল্ক বাধা দূর করার জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশি পাটপণ্য ও পেট (পলিইথিলিন টেরেফথ্যালেট) ফিল্মের ওপর আরোপিত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পরও বিদ্যমান শুল্কসুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।ভারতের নয়াদিল্লিতে ৮ ও ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এসব বিষয় সর্বাধিক গুরুত্ব পায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল দুই দিনব্যাপী এ বৈঠকে অংশ নেয়। শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশীয় রপ্তানিকারকদের স্বার্থ সংরক্ষণে ভারতের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিনিষেধ প্রত্যাহার চায় ঢাকা। ভারতীয় বাজারে পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করতে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা নিরসনের পাশাপাশি অন্যান্য বাণিজ্য প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এলডিসি উত্তরণের পর সাফটা চুক্তির আওতায় ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের শুল্কসুবিধা কীভাবে অব্যাহত রাখা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে বাংলাদেশ। এ ছাড়া পণ্যের মান নির্ধারণে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠা এবং ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) সনদ পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দেওয়া হয়।বাজারে প্রবেশাধিকারের পাশাপাশি আঞ্চলিক পণ্য পরিবহন বা ট্রানজিট–সুবিধা সম্প্রসারণও বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। বিশেষ করে, ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে ‘সিইওস ফোরাম’ কার্যকর করার প্রস্তাবও দেয় বাংলাদেশ।স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য নির্বিঘ্ন করতে ভারতের স্থল কাস্টম স্টেশনগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বাংলাদেশ। প্রবেশপথ, পার্কিং ইয়ার্ড, গুদাম ও শেডের পাশাপাশি পণ্য পরীক্ষা এবং কোয়ারেন্টিন–সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়।অন্যদিকে ভারতের পক্ষ থেকেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের কিছু প্রতিবন্ধকতা দূর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু স্থলবন্দরে ভারতীয় তুলার সুতা ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে থাকা বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। এ ছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো থেকে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির বাধা নিরসন, বহুমাত্রিক পরিবহনব্যবস্থার সম্প্রসারণ, আখাউড়া-আগরতলা রুটের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, রেল যোগাযোগের উন্নয়ন ও সীমান্ত হাটের মতো বিষয়গুলো ভারতের আলোচ্যসূচিতে ছিল।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ভৌগোলিক নৈকট্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দুই দেশেরই বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তবে এর সুফল পেতে বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করার পাশাপাশি সীমান্তে পণ্য খালাসের সীমাবদ্ধতা নিরসন জরুরি। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের এই সভার মাধ্যমে এসব সংকট সমাধানে কার্যকর পথ সুগম হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা