ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) পরিবহন চালক ও শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মচারী দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। ভোটগ্রহণের পরিবেশ, নির্বাচনী কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।সংশ্লিষ্টদের মতে, কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ, প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া সবকিছুই স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।অনুসন্ধানে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ। ভোটারদের উপস্থিতি, ভোটগ্রহণের শৃঙ্খলা এবং নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়েও নজর ছিল সংশ্লিষ্ট মহলের।এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়টি শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে গুরুত্ব পায়। তবে নির্বাচন কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল, ভোটার উপস্থিতির হার কত ছিল এবং কোনো অভিযোগ বা অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে কি না,এসব বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও নথিপত্র যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে।সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল কীভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং নির্বাচিত কমিটি পরবর্তী সময়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থে কী ধরনের ভূমিকা পালন করবে এসব বিষয়ও এখন গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।ডিএনসিসি পরিবহন চালক ও শ্রমিক ইউনিয়নের এই দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে তাই শুধু ভোটগ্রহণ নয়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।