
সুমন খান :
গতকাল ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার)এক ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ মধ্য দিয়ে । শেরে বাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এটি ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের এক নতুন সূর্যোদয়।জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়ে দলটির শীর্ষ নেতা এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে পরিচিত দেশনায়ক তারেক রহমানসহ নবনির্বাচিত সকল সংসদ সদস্য মহান আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করেন। এই শপথ কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের নয়, বরং এই শপথ ১৮ কোটি মানুষের লুণ্ঠিত অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার, ভঙ্গুর গণতন্ত্রকে পুনরায় সুসংহত করার এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’এই জাতীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখার এক দৃঢ় অঙ্গীকার।শপথ গ্রহণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানানো হয়, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম এবং অগণিত নেতাকর্মীর আত্মত্যাগের পর জনগণের অবাধ ভোটে অর্জিত এই বিজয় দলের দায়িত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নির্দেশনায় তারা এখন একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ ও সুখী-শান্তিময় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত এই সংসদ এক নতুন দিশারি হিসেবে কাজ করবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দলটির আগামী দিনের মূল লক্ষ্য হিসেবে ঘোষিত হয়েছে সুশাসন নিশ্চিত করা, সামাজিক ইনসাফ প্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত অর্থে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের শেষে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীদের ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। এই মাহেন্দ্রক্ষণটি বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
Leave a Reply