বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
Title :
চরলাপাং গ্রামে তাণ্ডব সাখাওয়াত পায়েল কি তবে প্রশাসনের চেয়েও শক্তিশালী? লাইসেন্স পেতে ঘুষের ফাঁদ? পূর্বাচল বিআরটিএ ঘিরে চাঞ্চল্য, আলোচনায় আলী আহসান লিমন পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি নির্বাচিত নদী মেপে ঘটনাস্থল নির্নয়, অবশেষে মামলা রুজুর নির্দেশ আসামি সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরিশালে আওয়ামী লীগের দুই বারের সাবেক এমপি তালুকদার মোঃ ইউনুসের জামিন মিরপুর-১ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘ফজর-আলম ও সবুজ’ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য…. ঘুষ-বাণিজ্যে অঢেল সম্পদ, সেবাগ্রহীতারা জিম্মি—দ্রুত তদন্তের দাবি মিরপুর ১০ ভাঙ্গা মার্কেট ফুটপাতে চাঁদাবাজদের তাণ্ডব টাকা না দিলেই মারধর-উচ্ছেদের হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ তুরাগে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা..সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকসহ ৫ জন রক্তাক্ত আটক ২ উচ্ছেদ অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ: কয়েকদিন পরই ফের দখলে মিরপুরের ফুটপাত

মিরপুর ১০ ভাঙ্গা মার্কেট ফুটপাতে চাঁদাবাজদের তাণ্ডব টাকা না দিলেই মারধর-উচ্ছেদের হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ

  • Update Time : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৭ Time View

সুমন খান:

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর রাড্ডা এলাকার ভাঙ্গা মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতে ব্যবসা করা ভাসমান ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময় থেকে এ দৌরাত্ম্য আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, গুদারাঘাট বস্তি (মিরপুর-১) এলাকার সুপক (পিতা: শওকত আলী), মনির, জব্বার, ইমরান (পিতা: হাতেম আলী)সহ অজ্ঞাত আরও ১০/১৫ জন নিয়মিত দলবদ্ধভাবে এসে প্রতিটি দোকান থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। কেউ টাকা দিতে না চাইলে তাকে মারধর, ভয়-ভীতি প্রদর্শন এবং দোকান উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়।ব্যবসায়ীরা জানান, জুলাই-২০২৪ সালের পর থেকে চক্রটি আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। সর্বশেষ গত ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে অভিযুক্তরা আবারও এলাকায় এসে এক ব্যবসায়ীর কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধর করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হামলাকারীরা হুমকি দিয়ে যায়,টাকা না দিলে দোকান তুলে নিজেদের লোক বসানো হবে।এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক ব্যবসায়ী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ফুটপাতে ছোট দোকান বসিয়ে পরিবার চালাই। প্রতিদিন চাঁদা দিলে আমাদের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব নয়, আবার না দিলে মারধরের শিকার হতে হয়।এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সম্মিলিতভাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অধীন মিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তারা দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, চাঁদাবাজদের গ্রেফতার এবং এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি শুধু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকাই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং নগর শৃঙ্খলা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর অভিযানই পারে এ ধরনের অপরাধ বন্ধ করতে।এখন প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন মিরপুর-১০ এলাকার শতাধিক ভাসমান ব্যবসায়ী। তাদের একটাই দাবি,নিরাপদ পরিবেশে, ভয়ভীতি ছাড়া জীবিকা নির্বাহের অধিকার নিশ্চিত করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
dailydhakaralo