বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
Title :
চরলাপাং গ্রামে তাণ্ডব সাখাওয়াত পায়েল কি তবে প্রশাসনের চেয়েও শক্তিশালী? লাইসেন্স পেতে ঘুষের ফাঁদ? পূর্বাচল বিআরটিএ ঘিরে চাঞ্চল্য, আলোচনায় আলী আহসান লিমন পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি নির্বাচিত নদী মেপে ঘটনাস্থল নির্নয়, অবশেষে মামলা রুজুর নির্দেশ আসামি সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরিশালে আওয়ামী লীগের দুই বারের সাবেক এমপি তালুকদার মোঃ ইউনুসের জামিন মিরপুর-১ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘ফজর-আলম ও সবুজ’ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য…. ঘুষ-বাণিজ্যে অঢেল সম্পদ, সেবাগ্রহীতারা জিম্মি—দ্রুত তদন্তের দাবি মিরপুর ১০ ভাঙ্গা মার্কেট ফুটপাতে চাঁদাবাজদের তাণ্ডব টাকা না দিলেই মারধর-উচ্ছেদের হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ তুরাগে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা..সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকসহ ৫ জন রক্তাক্ত আটক ২ উচ্ছেদ অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ: কয়েকদিন পরই ফের দখলে মিরপুরের ফুটপাত

বগুড়ার বেজোড়া দক্ষিণপাড়ায় ইমাম অপসারণ নিয়ে বিতর্ক: স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি এলাকাবাসীর

  • Update Time : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪ Time View

এম.এ আরিফ চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার:

বগুড়া পৌরসভার ২১ নং ওয়ার্ডের বেজোড়া দক্ষিণপাড়া এলাকার জান্নাতুল জামে মসজিদে দীর্ঘদিন ধরে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আবু হানিফ। স্থানীয় মুসল্লিদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দেড় মাস আগে মাত্র চারজনের একটি বৈঠকের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা ও অসন্তোষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমাম আবু হানিফ দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্ঠা, সততা ও ধর্মীয় আদর্শ মেনে মসজিদের ইমামতি করে আসছিলেন। তবে হঠাৎ করেই একটি ক্ষুদ্র পরিসরের বৈঠকে তাকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির অধিকাংশ সদস্য কিংবা সাধারণ মুসল্লিদের মতামত নেওয়া হয়নি।
মসজিদের কয়েকজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ইমাম আবু হানিফ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ভিত্তি নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। তাদের দাবি, যদি সত্যিই কোনো অনিয়ম বা বিতর্ক থেকে থাকে, তবে তা প্রকাশ্যে উপস্থাপন করে স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।
এ ঘটনায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—যদি একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর সিদ্ধান্তেই এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা যায়, তবে আগের মসজিদ কমিটি বহাল থাকছে কেন? কমিটির কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবিও উঠেছে।
এলাকাবাসীর একাংশের মতে, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম শুধুমাত্র নামাজ পরিচালনাকারী নন; তিনি সমাজের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক। তাই তাকে ঘিরে যেকোনো সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া, পারস্পরিক আলোচনা এবং মুসল্লিদের সম্মতির ভিত্তিতে।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্থানীয়রা মনে করছেন, একজন ইমামকে হঠাৎ করে দায়িত্বচ্যুত করা হলে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী আশা করছেন, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে দ্রুত একটি স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান আসবে, যা মসজিদ ও সমাজের সামগ্রিক ঐক্য বজায় রাখতে সহায়ক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025
Design By Raytahost
dailydhakaralo