
স্টাফ রিপোর্টার:
খুলনা নগরীর ব্যস্ততম গল্লামারি ব্রিজ সংলগ্ন লিনিয়ান পার্কের সামনে ফুটপাত দখল করে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি অস্থায়ী দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এসব দোকান বসিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণ।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির নাম ব্যবহার করে তৈয়বুর পিয়ারু ও হেলালের পক্ষ থেকে পিয়ারুর ছোট ভাই মুন্না ম্যানেজারের দায়িত্বে থেকে দোকানগুলো পরিচালনা করছেন। প্রতিটি দোকান স্থাপনের জন্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিদিন প্রতি দোকান থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব দোকানের মধ্যে রয়েছে মুরগি, গরুর মাংস, ফলসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফুটপাত দখল করে দোকান নির্মাণের ফলে চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। একদিকে প্রধান সড়ক, অন্যদিকে খোলা ড্রেন—এর মাঝ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে পশু জবাইয়ের রক্ত ও বর্জ্য ড্রেনে ফেলার কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
খুলনার গল্লামারিতে ফুটপাত দখল করে দোকান নির্মাণ, চরম ভোগান্তিতে পথচারীরা
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা নগরীর ব্যস্ততম গল্লামারি ব্রিজ সংলগ্ন লিনিয়ান পার্কের সামনে ফুটপাত দখল করে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি অস্থায়ী দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এসব দোকান বসিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণ।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির নাম ব্যবহার করে তৈয়মুর পিয়ারু ও হেলালের পক্ষ থেকে পিয়ারুর ছোট ভাই মুন্না ম্যানেজারের দায়িত্বে থেকে দোকানগুলো পরিচালনা করছেন। প্রতিটি দোকান স্থাপনের জন্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিদিন প্রতি দোকান থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব দোকানের মধ্যে রয়েছে মুরগি, গরুর মাংস, ফলসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফুটপাত দখল করে দোকান নির্মাণের ফলে চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। একদিকে প্রধান সড়ক, অন্যদিকে খোলা ড্রেন—এর মাঝ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে পশু জবাইয়ের রক্ত ও বর্জ্য ড্রেনে ফেলার কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। তারা আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতা আলী আকবর শেখ সোহেলের নাম ব্যবহার করে এ স্থান দখল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৫ আগস্টের পর পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তৈয়বুর পিয়ারু ও হেলালের হাতে। বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
গল্লামারি এলাকার বাসিন্দারা জানান, দুর্গন্ধ ও নোংরা পরিবেশের কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সকলেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এ অবস্থায় তারা খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
একই সঙ্গে তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, ফুটপাত যেন দখলমুক্ত হয় এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা হয়। গল্লামারিবাসীর একটাই দাবি—ফুটপাত মুক্ত হোক, নিরাপদ হোক নগরীর পথচারীদের চলাচল। করার সাহস পাচ্ছেন না। তারা আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতা আলী আকবর শেখ সোহেলের নাম ব্যবহার করে এ স্থান দখল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৫ আগস্টের পর পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তৈয়মুর পিয়ারু ও হেলালের হাতে। বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
গল্লামারি এলাকার বাসিন্দারা জানান, দুর্গন্ধ ও নোংরা পরিবেশের কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সকলেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এ অবস্থায় তারা খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
একই সঙ্গে তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, ফুটপাত যেন দখলমুক্ত হয় এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা হয়। গল্লামারিবাসীর একটাই দাবি—ফুটপাত মুক্ত হোক, নিরাপদ হোক নগরীর পথচারীদের চলাচল।
Leave a Reply