
স্টাফ রিপোর্টার :
জাতীয় দৈনিক রুদ্র বাংলা পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া কে, অসামাজিক ভাষায় গালাগালি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রধান করেন, মোঃ জুয়েল নামে এক ব্যক্তি।
গত ২২ ই জানুয়ারি ২০২৫ ইং রাত ১০ ঘটিকা ৩০ মিনিটে একটি অপরিচিত মোবাইল নাম্ থেকে ফোন আসে ভুক্তভোগী সংবাদ কর্মী জিয়াউর রহমান জিয়া’র মুঠোফোনে,
সেই ফোনে প্রথম সংবাদ কর্মী জিয়াকে বলা হয় তুই কি জিয়া, জিয়া বলে জি আমি জিয়া আপনি কে, হুমকি দাতা বলেন আমি তোর বাব বলছি, তুই যে ক্ষতি করেছিস, তোকে খানকির পোলা যেখানে পাবো সেখানে পিটাইবো, তুই বৃহস্পতিবার গানে ২৩ জানুয়ারি রুপা মিয়ার খানকায় গান শুনতে আসিস তোকে এমন মাইর দিব, তোর চেহারা তুই নিজেই চিনবি না,,
জিয়া তখন বলে আপনি কে আমাকে মাইরবেন কেনো আপনি কে, হুমকি দাতা বলে আমি তোর আব্বা বলছি
শালা, আজ থেকে সাবধানে পা রাখিস আর শোন তোকে একটি গুলি করবো,
আমি একটা পিস্তলে একটা গুলি রাখছি তোর বুকে মাইরবো,
তখন জিয়া বাসায় পরিবারের সদস্যদের সামনে হুমকি দাতা হুমকি দিচ্ছেন, ছোট্ট ছোট্ট দুই বাচা বলে কে বাবা তোমাকে গুলি করবে,বাঁচাদের এই কথা জিয়ার স্ত্রী শুনে বলে কে।
তুমি থানায় এখনি যাও তুমি এমন কি ক্ষতি করেছ যার কারনে মাইরবে গুলি করবে দেশটা কি মগেরমুলুক জিয়া তখন বলে বিষয় টা মনোযোগ দিয়ে দেখছি চিন্তা করিও না।
জিয়া তখন বিভিন্ন প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তাদের হুমকির কথা শেয়ার করে এবং সহকর্মীদের সঙ্গে ও অফিসে ফোন করে হুমকির বিষয় বলেন জিয়া, সবাই থানায় জিডি করতে জিয়াকে বলে,জিয়া তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোঃ রাহাৎ খানকে প্রাণনাশের হুমকি ঘটনা এ ওসির মোবাইল ফোনে কিছু তথ্য মেসেজ দিয়ে পাঠায় জিয়া, রাত তখন ১১ টা ২০ মিনিট,
জিয়া থানায় যাবে
তার স্ত্রী একা থানায় জেতে দেয়নি অনেক রাত হওয়ায়।
প্রাথমিক রাতে জিয়া ফেসবুকে হুমকি দাতার কিছু তথ্য পোষ্ট করেছে,
এবং সংবাদ কর্মীদের উত্তরা প্রেসক্লাবসহ অনেক তথ আদান প্রদান গ্রুপ আছে, সেই সব গ্রুপ গুলোতে যে নাম্বার থেকে হুমকি দিয়েছে, সেই ফোন নাম্বার গ্রুপে দেওয়ার পর
অনেক সহকর্মী জিয়ার হুমকি দাতার বিবরণ দিয়েছে।
২৩ জানুয়ারি ২০২৫ ইং সকালে সংবাদ কর্মী জিয়া তুরাগ থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ রাহাৎ খান এর সাথে সব ঘটনা খুলে বলার পর
জিয়াকে জিডি করার পরামর্শ দেন তিনি, ডিউটি অভিচারকে ডাক দিয়ে বুঝিয়ে বলে দেয় তিনি,আরোও বলে দেয় জিয়া ভাই কি হয় আমাকে জানাইবেন।
ডিউটি অভির্চার জিডি লেখিয়া উপপরিদর্শক এসআই মোঃ মেহেদী হাসানকে, জিডির তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেন, জিডি নং ১৩৩৬
এসআই সরজমিনে এসে বাদি জিয়াকে ফোন করে দেখা করেছে – ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে,
এবং অভিযুক্তদের বাসা গিয়েছে তাদেরকে পাওয়া যায়নি বলছেন এসআই মেহেদী হাসান।
বিবাদী জুয়েলকে তদন্তকারী এসআই মেহেদী হাসান, ফোন করলে জুয়েল ধরেনি,
বাদী জিয়ার মুঠোফোনে হুমকি দাতা ফোন করেছে
এসআই মেহেদী হাসান নিজে শুনেছেন, আমাকে এবারের মতন ক্ষমা করে দেন জিয়া ভাই।
হুমকির সত্যতা নিশ্চিত করেছে হুমকি দাতা জুয়েল ভিডিও রয়েছে আরোও বলেছে আমি একজন মানুষের কথায় হুমকি এবং গালাগালি দিয়েছি তার নাম মোঃ আলী, সে জাতীয় শ্রমিক লীগের ৫১নং ওয়ার্ড এর সহসভাপতি,
আলী সংবাদ কর্মী জিয়ার মুঠোফোনে ফোন করে বলেন আমি কেনো কেন এইসব কথা বলতে যাব
– জিয়া ভাইয়ের সাথে আমার কোনো শত্রুতা নেই,
জুয়েল জিয়া ভাইয়ের ফোন নাম্বার চেয়েছে আমার কাছে, আমি বলেছি কেন, জুয়েল বলেছে জিয়া আমার বড় ক্ষতি করেছে, আমি ফোন নাম্বার দিয়েছি,
জিয়া ভাইকে ফোন করে কি যেনো বলেছে আমি জানি না, জুয়েল ফোন করেছে এটা সত্য।
জিয়া ভাই উত্তরা ২০ /২২ বছর হয় সাংবাদিকতা করেন আমি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে জানি, আর সংবাদ কর্মীরা জাতীয় বিবেক বলা হয় এরা ভালো মানুষ।
হুমকির বিষয়ে উত্তরা ও তুরাগবাসীর জাহা বলেন জিয়া একজন সংবাদ কর্মী এধরনের অনেক সংবাদ কর্মী, দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এসে, বাবা-মা – গালাগালি শুনবে ও প্রাণনাশের হুৃকির শিখার হবে, সাংবাদিকতা মহান পেশা এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে, প্রতিদিন প্রতিকূলে জীবনের ঝুঁকি সত্য তথ্য প্রকাশ করতে- যদি প্রাণনাশের ছোবলে থাকতে হয় তাহলে নতুন করে দেশ স্বাধীন করে কি হলো।আমরা মাদকাসক্ত ছিনতাইকারী সকল অপরাধীদের অনুরোধ করে বলছি যেকোনো মানুষ হোক সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিয়ে যেনো আইনের হাত থেকে রেহাই না পায়।
সংবাদ কর্মী জিয়াকে গালাগালি ও প্রাণনাশের হুমকির তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়, ঢাকা বিভাগীয় প্রেসক্লাব এবং উত্তরা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ ফোক সংগীত গঠন,সকলের একটাই দাবি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনে উপযুক্ত শান্তি দেওয়া হোক।
Leave a Reply