
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তরখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমানকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে একপেশেভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপন করে পুলিশ প্রশাসন ও একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে আমরা মনে করি।বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো অভিযোগে আমলযোগ্য অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে পারে। মামলা রুজু মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; বরং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হয় এবং আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
দুঃখজনকভাবে, চলমান তদন্তাধীন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার আদালতের রায় বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই ওসি হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে “ক্ষমতার অপব্যবহার” ও “ষড়যন্ত্রে জড়িত” থাকার মতো বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী এবং স্পষ্টতই মানহানিকর।আমরা বিশ্বাস করি, আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান। একজন ব্যক্তি সাংবাদিক বা মানবাধিকারকর্মী হলেই তিনি আইনের ঊর্ধ্বে নন। তাই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় বিভ্রান্তিকর ও একতরফা প্রচারণা অনভিপ্রেত।
অতএব, প্রকাশিত সংবাদটির বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অংশের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হচ্ছে।