
সুমন খান:
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত ফেস্টুন ও ছবি ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি স্বার্থান্বেষী চক্র পরিকল্পিতভাবে এই সাইবার অপরাধের মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে বলে দলীয় নেতাকর্মী এবং নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ অভিযোগে জানা যায়, সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল এআই (AI) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে এক ধর্ষকের ছবির সাথে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের ছবি জুড়ে দিয়ে ফেস্টুন তৈরি করেছে। পরবর্তীতে সেই ফেস্টুন বা ছবিগুলো ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ, পেজ এবং প্রোফাইলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। দলীয় নেতাদের দাবি, প্রতিমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেনস্তা করতেই এই অপকৌশল বেছে নেওয়া হয়েছে।
ছড়ানো তথ্যের অসাড়তা,সংশ্লিষ্ট সূত্র ও দলীয় নেতারা নিশ্চিত করেছেন যে, আলোচিত ঘটনার মূল অপরাধী বা তথাকথিত ধর্ষণকারী কখনোই 'স্বেচ্ছাসেবক দল,এর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল না। একটি বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে মোড় নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই প্রোপাগান্ডা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একদল সুসংগঠিত ‘বট বাহিনী’ বা ফেক আইডি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাইবার বিশ্লেষকরা।নাগরিক সমাজ ও দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া,এই নোংরা প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন নাগরিক সমাজ ও দলীয় নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন:আধুনিক প্রযুক্তির এমন অপব্যবহার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাষ্ট্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যাচার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।দ্রুত আইনি ব্যবস্থার আহ্বান,ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে নাগরিক সমাজ ও দলীয় নেতৃবৃন্দ। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা এই বিভ্রান্তিকর গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার অপরাধ আইনের আওতায় এনে দ্রুত সনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করার জোর দাবি জানানো হয়েছে। একই সাথে সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের এই ধরণের কোনো এআই-জেনারেটেড ফেক বা বিকৃত ছবিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।