
বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং বিভিন্ন আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে র্যাব ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ নারায়ণগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব-১১। ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে এবং কোরবানির পশুর হাটের সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইতিমধ্যেই বিশেষ টহল পরিচালনা ও চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবছর ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, যানজট এবং পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও জাল টাকা চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। এসব অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য রুখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার আগেভাগেই নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যেকোনো ধরনের ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং যাত্রী হয়রানি বন্ধে ২৪ ঘণ্টা নিয়োজিত রয়েছে র্যাবের বিশেষ টহল টিম। এছাড়া, সন্দেহভাজন যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অস্ত্র বা মাদক পরিবহন করা না হতে পারে। কোরবানির পশুর হাটগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
জনস্বার্থে এবং পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দকে নিরাপদ রাখতে র্যাব-১১ এই বিশেষ নিরাপত্তা চৌকির কার্যক্রম ঈদের ছুটি পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে জারি থাকবে।