
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগকারীর কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি)'র তদন্তের দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর অভিযুক্তর সাথে মীমাংসা করিয়ে দেয়ার নামে তিনি বাদীর কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী মোঃ সুমন জানান, তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরি ( জিডি) করেন।
উক্ত জিডি'র তদন্তের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নব্য যোগদানকৃত এসআই দেলোয়ারকে
দ্বায়িত্ব পওয়ার পরে এসআই দেলোয়ার বাদী ও বিবাদীকে থানায় ডেকে মীমাংসার প্রস্তাব দেন এবং বিবাদীর সাথে আপোষ মিমাংসা করে দিবেন বলে তিনি বাদীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন বাদী সুমন।
বিবাদী পক্ষ দেলোয়ারের মীমাংসার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যেন তার মুখের খাবার কেড়ে নিলো। এর পরেই এসআই দেলোয়ার তার দ্বিতীয় কৌশল কাজে লাগালো, যা কিছু তার পূর্ব অভিজ্ঞতার ফসল। বাদীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এসআই দেলোয়ার।
অভিযোগ অনুযায়ী বাদী সুমন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে এসআই দেলোয়ারের ভয়ভীতি এবং কথার মারপ্যাচে পরে বাধ্য হয়ে তিনি সোমবার (৪-ই মে) নিজের বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে এসআই দেলোয়ারের হাতে তুলে দেন।
এ সময় তাকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্যও বলা হয় এবং ভয় দেখানো হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই দেলোয়ার বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, আপনি যা পারেন করেন। তবে আমি ২০ হাজার টাকা নেইনি, ১০ হাজার টাকা নিয়েছি।
এ ঘটনায় স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকার কর্মী বলেন, “বর্তমান সময়ে পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক।
অন্য আরও কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী জানান,
২০২৪ সালে ফ্যাসিষ্ট আমলে এসআই দেলোয়ার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় কর্মরত থাকাকালিন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে লোকজনের কাছ থেকে ঘুষ নিতো, ঘুষ য়েন তার একটা সামাজিক অধিকার। এসআই দেলোয়ারের ঘুষ বানিজ্যের বিষয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ ও প্রকাশ হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে থানায় ও স্থানীয় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।