
সুমন খান :
রাজধানীর মিরপুর এক নম্বর গোলচক্কর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে হকারদের অবাধ বাণিজ্য। বিশেষ করে এপেক্স বাগদাদ মার্কেট সংলগ্ন সড়ক এবং ফুটবল ব্রিজ-এর নিচের অংশ এখন কার্যত হকারদের নিয়ন্ত্রণে। পথচারীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হলেও দখলদারিত্ব যেন অটুটই রয়েছে।সব ম্যানেজ করেই ব্যবসা করি,
এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটপাতের দুই পাশ জুড়ে কাপড়, জুতা, ফলমূল, ইলেকট্রনিকস সামগ্রীসহ নানা পণ্যের দোকান। অনেক ক্ষেত্রে দোকান বসানো হয়েছে সড়কের অংশে, ফলে যান চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
কয়েকজন হকারের সঙ্গে কথা বললে তারা প্রকাশ্যে দাবি করেন,সবকিছু ম্যানেজ করেই ব্যবসা করি। কোনো সমস্যা হবে না।এই বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। তাদের অভিযোগ, নিয়মিত চাঁদার বিনিময়ে প্রভাবশালী একটি চক্র ফুটপাত দখল বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।পথচারীদের দুর্ভোগ,স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বৃদ্ধরা ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে না পেরে বাধ্য হচ্ছেন মূল সড়ক ব্যবহার করতে। এতে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুবার অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।প্রশ্নের মুখে প্রশাসন:নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কয়েকদিন পরই আবার আগের চিত্র ফিরে আসে। স্থানীয়রা বলছেন,উচ্ছেদ অভিযান কি কেবল ‘দেখানো’?কারা এই দখলদারিত্বের পেছনে প্রভাব খাটাচ্ছে?
হকারদের ‘ম্যানেজ’ বক্তব্যের পেছনে কারা জড়িত?এভাবে ফুটপাত দখল শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ায় না, বরং নগর ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি,সবই এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক : সুমন খান