
নিজস্ব প্রতিবেদক :
উন্মুক্ত/জনসম্মুখ পরিস্থিতি: যদি বিষয়টি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট হয় যেমন সরকারি নীতি, নির্বাচন, বাজেট, দুর্নীতি ইত্যাদি তাহলে একজন সাংবাদিকের প্রশ্ন করার জন্য আলাদা অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ।
এখানে সাংবাদিকের প্রশ্ন করা দায়িত্বের অংশ অনুমতি চাওয়া নয় বরং উত্তরদিহিতা নিশ্চিত করা মূল লক্ষ্য।
ব্যক্তিগত/সংবেদনশীল পরিস্থিতি: কিন্তু কারো ব্যক্তিগত জায়গা, বাসা, হাসপাতাল, শোকের মুহূর্ত বা নিরাপত্তাজনিত বিষয় হলে অনুমতি নেওয়া নৈতিক ও পেশাগতভাবে সঠিক। এটি সাংবাদিকতার নীতিমালার অংশ।
বাস্তবতার দিক: বাংলাদেশে অনেক সময় সাংবাদিকরা ভদ্রতা বা নিরাপত্তাজনিত কারণে আগে অনুমতি চান। এটা দুর্বলতা নয় বরং পরিস্থিতি বোঝার কৌশলও হতে পারে।
আমার মূল্যায়ন: অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন করা সবসময় ভুল নয়, আবার সবসময় বাধ্যতামূলকও নয়। এটি নির্ভর করে ✔️ প্রশ্নটি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কিনা ✔️ স্থানটি ব্যক্তিগত না জনসম্মুখ ✔️ পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ কিনা ✔️ নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কিনা।
নোট: আপনিও প্রশ্ন করতে অভ্যস্ত হউন; প্রশ্ন করার সক্ষমতার মধ্যে আপনার সাংবাদিকতার গুরুত্ব বাড়বে বরং কারো প্রশ্নকে সমালোচনা করে নয়।
আহমেদ আবু জাফর
সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
ও
চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড
বিএমএসএফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : সুমন খান