
হাবিব সরকার স্বাধীন/
সিমান্ত ৪নং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েন একজন মাদক সম্রাট স্বর্ন চোরাচালানের গডফাদার নামে সুপরিচিত। কালিগঞ্জ থানা ও ঝিনাইদহ সদর থানায়ও সারাদেশে তার নামে কুকর্মের আলামত মামলা কিছু বিস্তারিত দেখুন। কে এই সন্তাসী সাবেক চেয়ারম্যান মঈন?চুয়াডাঙ্গা: থান জীবন নগর।১- মোঃ মঈন উদ্দিন (৪৫), পিতা- ইন্তাজ আলী মন্ডল, (গ্রাম গয়েশপুর), উপজেলা/থানা- জীবন নগর, জেলা-চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।মামলা রেফারেন্স:২। চুয়াডাঙ্গা এর দামুড়হুদা থানার এফআইআর নং-৪৩, তারিখ- ৩০ মে, ২০১৯; সময়- ১৪:৪৫ ঘটিকা ধারা- ৩১(ক)/৩১(খ)/৩১(গ)/৩১(ঘ)/৩৩/৩৫/৩৬ ২০১৩ সালের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন; এই মামলায় সে
এজাহারে অভিযুক্ত।৩। ঝিনাইদহ এর ঝিনাইদহ সদর থানার এফআইআর নং-৭, তারিখ- ০৪ ডিসেম্বর, ২০১২: জি আর নং-৪৮৭/১২; সময়- ধারা- ১৯(১) এর ৩(খ) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত
৪। ঝিনাইদহ এর মহেশপুর থানার এফআইআর নং-২. তারিখ- ০২ মে, ২০১০; জি আর নং-৮৩/১০: সময়- ধারা- ২৫ ৪ এর ১ (৪) ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত গ্রেফতার রেফারেন্সঃ
৫। মোঃ মঈন (), পিতা- ইন্তাজ মণ্ডল, (জীবননগর ফকিরপাড়া), উপজেলা/থানা- জীবন নগর, জেলা-চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ,
৬। চুয়াডাঙ্গা এর জীবননগর থানার এফআইআর নং-৬, তারিখ- ২১ জানুয়ারি, ২০০৮; সময়- ধারা- ২৭৯/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/২১৪/২২৫/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০;, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত গ্রেফতার রেফারেন্সঃ৭। মো: মঈন উদ্দিন ময়েন (৫৯), পিতা- মো: ইন্তাজুল হক ওরফে ইস্তা, গ্রাম- গয়েশপুর, উপজেলা/থানা- জীবন নগর, জেলা-চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ,
মামলা রেফারেন্স:৮। চুয়াডাঙ্গা এর জীবননগর থানার এফআইআর নং-৪, তারিখ-০৩ নভেম্বর, ২০১৮; সময়- ০৬:৩০ ধারা- ১৫(৩)/২৫-D ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন; তৎসহ ৩/৪/৬ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইন;, সব মামলার সে তদন্তে ও তালিকাভুক্ত আসামী। এখানেই শেষ নয়! তার নামে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। অভিযোগ। খুন, রাহাজানি, দখল স্থানীয়দের গুম, বাণিজ্য, অন্যায় অবিচার তার কিছু না। বিপুল পরিমাণ ফেন্সি নিয়ে আটক হয় মাদক কারবারি মঈন উদ্দিন। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছু মঈনের কাছে বন্ধু জানান। এমন কোন অপরাধ নেই সে করেনা। মাদক মামলায় জেল থেকে বেরিয়ে ৬৫ লাখ টাকা দামের নতুন গাড়ি কিনেছেন ফিল্মস্টার ঘোরাফেরা করেন। তার ভাই অস্ত্র মামলার ৩০ বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী। এবং তার বাবা একজন এলাকার নাম করা ইস্তা ডাকাত। সিমান্তে সব চোরাচালান এখন তার ইশারায় চলে। জীবন নগর আওয়ামী জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি লীগের ক্যাডার ওয়াসিম, জিয়া স্মৃতি সংসদ ফয়সাল, জুয়েল, দাতলা শাওন একসময় তাদের ছত্রছায়ায় ছিলো আর এখন তাদের কে সর্বোচ্চ সুবিধা দিচ্ছে। গুলশান ২ নজরুল মল্লিকের বাসায় ওরা শেল্টার নিয়ে আছে আর এই ময়েন সেখানে এক সপ্তাহ/পনেরো দিন পর পর তাদের সাথে দেখা করেন। উন্মাদ মাতাল কিশোর গ্যাং নিয়ে মেতে ওঠে রংগলিলায়। বিএনপির ত্যাগি কর্মিরা ময়েনের অত্যাচারে অতিষ্ট
কিন্তু কেউ মুখ খোলে না। মাদক কারবারি হাত থেকে এক রক্ষা পায়নি চুয়াডাঙ্গা জেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ সভাপতি ও তার পরিবার। নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে নির্যাতনের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়। আবেদনটি তুলে হলো। (বরাবর) সভাপতি সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা জেলা। বাংলাদেশ
জনাব। সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা স্বাক্ষরকারী শহীদ জিয়া সংসদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করিতেছি যে ০৫/০৩/২০২৫ ইং তারিখ তারাবির সময় আমাদের চুয়াডাঙ্গা জেলার সভাপতি মোঃ আব্দুর হাই থানা- জীবন নগর,
সাং- গোয়াল পাড়ায় তার নিজ বাড়ীতে চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ও এর ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসী মোঃ আব্দুল হাই এর ঢুকে জোর পূর্বক এবং আসবারপত্র ভাঙ্গচুর ধরা দলীয় ব্যানার ছিড়ে ফেলে / তার স্ত্রীকে মাথায় আঘাত অস্ত্র ধরা তাহার মাথা যায় ও হাত পা কোমড়ে ) পিটায় পরবর্তীতে বিষয়: চুয়াডাঙ্গা জেলা শহীদ সেলাই পড়ে। আব্দুল হাই এর মাকে হাত ও বিভিন্ন জায়গায় সভাপতি ও তার পরিবারের কুপায় জখম করে। উপর হামলা নির্যাতনের মোঃ আব্দুল হাইকে বিরুদ্ধে আবেদন। করে সাবেক চেয়ারম্যান উদ্দিন ও তার সঙ্গীরা ধরে নিয়ে বাধ্য হইব। নিম্ন যায় এবং তার উপর নির্যাতন স্মৃতি চালায় এবং জোর পূর্বক তাকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে ১২টি সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয় জোর গত পূর্বক। আমাদের অভিযোগ হল আব্দুল হাই এর অন্যায় বা কোন প্রকার দোষত্রুটি থাকলে
অতএব, আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ তদন্ত পূর্বক এই সন্ত্রাসী হামলাকারী ও তার সঙ্গীদের দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি এবং সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর করা ষ্টাম্প তাকে ডেকে নিয়ে জীবন নগর উদ্ধার করার জন্য বিনীত থানা বি.এন.পির মাধ্যমে আবেদন করছি।
দরবার করতে পারত অথবা জেলা বি.এন.পির মাধ্যমে ডেকে বিচার করা যেত। একজন দলীয় লোক আরেকজন দলীয় লোকের বাসায় হামলা ভাঙ্গচুর স্ত্রী ও মাকে কুপাইয়া আহত করতে পারে না। যদি কোন প্রকার দোষ করে তাকে তাহা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া যেত বি.এন.পি নেতাদের মাধ্যমে। কিন্তু তাহার মা ও স্ত্রীকে কোন দোষ করে নাই তাহাদের কেন কুপাইয়া গুরতর জখম করা হইল। আমরা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী অবস্থিত কমিটি ও সারা বাংলাদেশ সাবেক নেতা ও কর্মীবৃন্দ এই ঘটনার তার তদন্ত পূর্বক দলীয় ভাবে এর বাহিনী সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করছি ও বাড়ীতে মঈন উদ্দিন তার সহযোগীদের বাড়ীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও দলীয় পদ করে হইতে বহিস্কারের আবেদন এবং জানাচ্ছি। আপনারা চুয়াডাঙ্গা করে জেলা বি. এন. পির ফেটে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বেধর এই দৃষ্টান্ত মূলক আপরাধের মাথায় দলীয় ব্যবস্থা না নিলে এর বি.এন.পির সিনিয়র যুগ্মা এরপর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মারধর রুহুল কবির রিজভী কাছে এই মঈন ঘটনার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
Leave a Reply